এ কী বিভঙ্গে এসে দাঁড়ালে সমুখে বলো ?
সবুজ-নীল আগ্রাসনে বান আসে নদী বুকে
এ আর কী গোপন কথা ?
গোপন ছিল যা সব -তুমি কি জানো না
সমঝে দিয়েছি তোমারই সানুনয় আবদারে ?
যে নদী গোপনে গোপনে আরণ্যক হতে চেয়েছিল
শিখিয়েছ তাকে তুমি নিগূঢ় জীবন কথা।
সেই থেকে তুমি অরণ্য হয়েছ - সব জানি।
আমি জানি, আকাশনীলে মাধুর্য ছড়িয়ে
সবুজে আত্মহনন কথা।
হারিয়ে যাবার পথে তবে
কেন ফের নীলাম্বর তলে
কাঁচা রোদে ঢেলে দাও
সবুজ অরণ্য ঘিরে তোমার আঁচল ?
কত আর তাকাব বলো পিছন ফিরে
আর কত বিষাদবিন্দু রাখি ধরে এ ক্ষুদ্র হৃদয়ে ?
অরণ্যসখা বলে একদিন জেনেছি নিজেকে
সে অধিকার কতটুকু দিয়েছিলে
তুমি সবই জানো, একদিন ফিরায়েছ সকরুণে।
কেন তবে ফের চোখে রাখো চোখ ?
আমি সাগরে বিলীন হতে হতে
সবুজের ছোঁয়া নিয়ে, নীলিমায় রেখে যেতে চাই
সপাট সবুজ কথা - নীলনয়নার কথা।
এসো তবে একবার, শেষবার
মেতে উঠি অরণ্য অভিসারে, প্রখর প্রহরে।
সম্প্রতি গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক খগেনচন্দ্র দাসের আহ্বানে গুয়াহাটি, লালগণেশ অঞ্চলের শান্তিনগরে অবস্থিত পূর্বাশা বিদ্যানিকেতনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়েছিলেন মহানগরের বিদ্বৎসমাজের একাধিক ব্যক্তি। আলোচনার বিষয় ছিল ‘বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মের অবস্থান ও প্রয়োজনীয়তা’। সভায় সাহিত্য, সংস্কৃতি জগতের সঙ্গে জড়িত বহু ব্যক্তির বাইরেও উপস্থিত ছিলেন সুশীল সমাজের একাধিক গুণীজন। এদিন এই সান্ধ্যসভায় আহ্বায়কের বাইরে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা হলেন - বিজয় ভূষণ দে, সিদ্ধার্থ কুমার দত্ত, মনতোষ চন্দ্র দাস, নির্মল চন্দ্র দাস, পীযূষ দেব, শংকর পণ্ডিত, অসিত কুমার সরকার, শাশ্বতী চৌধুরী, ঋতা চন্দ, সুচরিতা সান্যাল, রবিশংকর দত্ত, তাপসী চৌধুরী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, মধুমিতা দত্ত, মীনাক্ষী চক্রবর্তী, রুদ্রাণী দত্ত, বীণা রায়, মুক্তা সরকার, অনুরাধা দাস পাত্র, জয়া নাথ ও স্বর্ণালি চৌধুরী। মূল প্রসঙ্গের ধারাবাহিক আলোচনায় উঠে এসেছে একাধিক প্রসঙ্গ - আজকের দিনে ঋষি অরবিন্দের ভাবনার প্রয়োজনীয়তা, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের মানবিক দিক, হিন্দু সমাজে গুরুবাদ ও বিভেদ, ডিপস্টেটে...
Comments
Post a Comment