এ কী বিভঙ্গে এসে দাঁড়ালে সমুখে বলো ?
সবুজ-নীল আগ্রাসনে বান আসে নদী বুকে
এ আর কী গোপন কথা ?
গোপন ছিল যা সব -তুমি কি জানো না
সমঝে দিয়েছি তোমারই সানুনয় আবদারে ?
যে নদী গোপনে গোপনে আরণ্যক হতে চেয়েছিল
শিখিয়েছ তাকে তুমি নিগূঢ় জীবন কথা।
সেই থেকে তুমি অরণ্য হয়েছ - সব জানি।
আমি জানি, আকাশনীলে মাধুর্য ছড়িয়ে
সবুজে আত্মহনন কথা।
হারিয়ে যাবার পথে তবে
কেন ফের নীলাম্বর তলে
কাঁচা রোদে ঢেলে দাও
সবুজ অরণ্য ঘিরে তোমার আঁচল ?
কত আর তাকাব বলো পিছন ফিরে
আর কত বিষাদবিন্দু রাখি ধরে এ ক্ষুদ্র হৃদয়ে ?
অরণ্যসখা বলে একদিন জেনেছি নিজেকে
সে অধিকার কতটুকু দিয়েছিলে
তুমি সবই জানো, একদিন ফিরায়েছ সকরুণে।
কেন তবে ফের চোখে রাখো চোখ ?
আমি সাগরে বিলীন হতে হতে
সবুজের ছোঁয়া নিয়ে, নীলিমায় রেখে যেতে চাই
সপাট সবুজ কথা - নীলনয়নার কথা।
এসো তবে একবার, শেষবার
মেতে উঠি অরণ্য অভিসারে, প্রখর প্রহরে।
রামকৃষ্ণনগর । প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আবহে বরাক উপত্যকার এক ঐতিহ্যময় শহর । বিশেষ করে শিক্ষাদীক্ষার ক্ষেত্রে চিরদিনই এক অগ্রণী স্থান হিসেবে উচ্চারিত হয়ে আসছে এই নাম । বৃহত্তর রামকৃষ্ণনগরের গোড়াপত্তনের ইতিহাস বহুদিনের । দেশভাগের আগে ও পরে , উত্তাল সময়ে স্থানচ্যূত হয়ে এখানে থিতু হতে চাওয়া মানুষের অসীম ত্যাগ ও কষ্টের ফলস্বরূপ গড়ে ওঠে এক বিশাল বাসযোগ্য অঞ্চল । শুধু রুটি , কাপড় ও ঘরের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রই নয় , এর বাইরে শিক্ষা অর্জনের ও শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে মমনশীলতার পরিচয় দিয়েছিলেন সেইসব মহামানবেরা । ফলস্বরূপ এক শিক্ষিত সমাজব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল যদিও উচ্চশিক্ষার জন্য পরবর্তী প্রজন্মকে বেরোতে হয়েছিল নিজ বাসস্থান ছেড়ে । শিলচর তখন এ অঞ্চলের প্রধান শহর হওয়ায় স্বভাবতই শিক্ষা ও উপার্জনের স্থান হিসেবে পরিগণিত হয় । এবং স্বভাবতই রামকৃষ্ণনগর ছেড়ে এক বৃহৎ অংশের মানুষ এসে পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করেন এই শিলচরে । এই ধারা আজও চলছে সমানে । শিলচরে এসেও শেকড়ের টানে পরস্পরের সাথে যুক্ত থেকে রামকৃষ্ণনগর মূলের লোকজনেরা নিজেদের মধ্যে গড়ে তোলেন এক সৌহার্দমূলক বাতাবরণ । এবং সেই সূত্রেই ২০০০ সালে গঠিত হয় ‘ ...
Comments
Post a Comment