অপরূপ করে সাজাতে হয় না নিজেকে নিজের গুণসাগরে নিজেই সুসজ্জিতা আটপৌরে সাজেই বসেছিল মেয়েটি দু ' জন একসাথে বসে দুলতে পারে - এরকমই এক দোলনায় একা একা যূপকাষ্ঠে - প্রতীক্ষায় নির্বিকার। ফাঁসির দড়ি আলগা তখনো , তৈরি ফাঁস , প্রতিরোধ নিষ্ফল , জানে মেয়েটি নিজেকে সঁপেছে তাই নিয়তির কাছে। পরিণতি জেনেও দুলছে মৃদু দোলনায় অনিবার্য পথের নির্বিকল্প যাত্রী। ঘেরাটোপে আমি তাকিয়ে থাকি অসহায় অক্ষম আমি ভাঙতে সেই প্রাচীর। আমার চিল চিৎকার বুমেরাং হয়ে ফিরে আসে বার বার , গুমরে মরে অন্তরে নেই , কেউ কোথাও শোনার নেই। ফাঁসির বোতাম থেমে রয় খানিক যান্ত্রিক গোলযোগ , আমি আশান্বিত হই , ' বোন আমার ' বলে অস্ফুটে তাকাই। মেয়েটি উন্মুখ , এভাবে পল পল ধরে মৃত্যুর প্রহর গোণা যায় না , এভাবে গণধর্ষিত হয়ে বেঁচে থাকা যায় না। অবশেষে এলো সেই কাঙ্খিত ক্ষণ নিথর দেহ উঠে গেল কোন অজানায় আমি ছুটে যাই সিঁড়ি বেয়ে বেয়ে দূর - শেষ দমটুকু ফুরিয়ে যাওয়ার আগে আবার নেমে আসি ব্যর্থ অন্বেষণ শেষে। রাতে খাওয়ার পাতে ডুকরে ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা