শাদ্বল - রোজকার সাহিত্য চর্চায় একটি অপ্রচলিত শব্দ, তাই শব্দার্থ লিখে দিতে হয়েছে সম্পাদকীয়তে। কিন্তু আলোচ্য সাময়িকীর জন্য হয়তো এর চেয়ে ভালো নাম আর হতেই পারে না। এর মানে হচ্ছে - শস্পাবৃত ভূমি। অর্থাৎ কচি ঘাসে আবৃত ভূমি। হ্যাঁ, একটা সময় কচি ঘাসেই আবৃত ছিল তাঁর যাপনভূমি, যাপনবেলা। হঠাৎ করেই ছন্দপতন। অনাহূত, অবাঞ্ছিত ঘটনায় ছন্দহীন হয়ে গেল সেই ভূমি, উপড়ে গেল সেই ভূমি থেকে একটি শস্প, একটি উদীয়মান প্রতিভা। সেই থেকে এই শাদ্বল, কবিতার এক নতুনতর চারণভূমি - যেন দিগন্ত বিস্তৃত হয়ে জানান দিচ্ছে - ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই। এক থেকে বহুধাবিস্তৃত হতে হতে অধিকতর প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে সেই হারিয়ে যাওয়া শস্প, সেই অকালে ঝরে যাওয়া কোমলবেলার না-ফোটা পুস্প। কবি তথা শাদ্বল পত্রিকার সম্পাদক (অবৈতনিক) রানা চক্রবর্তীর পুত্র ঋতর্ণবের অকাল প্রয়াণ বদলে দিয়েছে তাঁর যাপনকাল। এই বদলে যাওয়া যাপিত সময়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এবং শততম সংখ্যার গরিমা ষো লো আনা বজায় রেখে শতাধিক কবির কবিতায় সম্প্রতি প্রকাশিত হল ‘শাদ্বল-১০০’ বিশেষ সংখ্যা। বর্ষ ১১, সংখ্যা ১। কবিতার এই পরিচিত চারণভূমি থেকে প্রায় ২ ০০ জন কবির কবিতায় পুষ্ট হ য়ে প্রকাশিত ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা