কবির ভাষ্যে - ‘পৃথিবীর হতে পারে মানুষ’। কথাটি হয়তো এভাবেও বলা যায় কিংবা যেত - মানুষের হতে পারে পৃথিবী। অর্থাৎ এই পৃথিবী বহুল অর্থে মানুষের বাসযোগ্য হতে পারে কিংবা পারত। মাটি ও মানুষের এই যে সহাবস্থান, এই যে পারস্পরিক সহবাস, সহযোগিতা, সহমর্মিতা - এর মধ্যেই নিহিত হয়ে আছে সময়, অতীত ও ভবিষ্যতের বিশ্লেষণ ও ভাবনা। অথচ এই একটি জায়গাতেই মানুষ বহু লক্ষ যোজন পিছিয়ে রয়েছে পৃথিবী থেকে। মানুষে মানুষে অন্তর্দ্বন্দ, বিভেদ, স্বার্থপরতার ইঁদুরদৌড়ে ব্রাত্য পৃথিবী আর হয়ে ওঠেনি - যা হয়ে উঠতে পারত। পৃথিবীর এই অন্তর্ভাবনাতেই লুকিয়ে আছে মানুষের যুগ যুগান্তরের কৃতকর্ম। আর ঠিক এই জায়গাটিকেই ‘পাখির চোখ’ করে ভূমিষ্ঠ হয়েছে কিংবা বলা যায় পাঠকস্থ হয়েছে কবি অভীককুমার দে’র সদ্য প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘পৃথিবীর হতে পারে মানুষ’। ভূমিকাহীন এই কাব্যগ্রন্থের ব্লার্বে তুলে ধরা হয়েছে এই সারসত্যটিকেই। - “মানুষের ভিতর মানুষ থাকে না বলেই আজ মানুষে মানুষে এত দূরত্বের ঢেউ। ... আজ মানুষে মানুষে ভয়-ঘৃণা-হিংসা-দ্বেষ এই নিয়েই চলছে লড়াই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। কিন্তু সৃষ্টির সৌন্দর্যকে অস্বীকার করে তো কিছু নয়। এই ভুবনের ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা