‘আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানবিন্দু থেকে জন্ম দিলাম তোমায় জন্ম দিলে তো চলে না, লালনের দায়িত্ব আমি কি একা সামলাতে পারি ? তোমাকে কি পৌঁছে দিতে পারি ভরা যৌবনে ? চাই প্রেম, চাই ভালোবাসা, চাই ভালো লাগা, ঘন আঁধারে হাজার জোনাকির আলো তোমায় পৌঁছে দেবে পূর্ণিমার আকাশে, ধ্রুবতারা হয়ে বেঁচে থেকো।’ একটি মস্ত বড় - প্রায় পৃষ্ঠাজোড়া আকারের ‘ ৮ ’ । এবং তার খাঁজে খাঁজে , অঙ্গে অঙ্গে ইতস্তত আটকে থাকা , জুড়ে থাকা আটটি পা ( পড়ুন চরণ ) । অনবদ্য রং - এর খেলায় অভিনব এক প্রচ্ছদ । সাংকেতিক এবং ষোলোআনা প্রাসঙ্গিক । আটটি পা অর্থে অষ্টচরণ । এক বিশেষ ধাঁচের কবিতা , যার পঙক্তি সংখ্যা অতি অবশ্যই আট । এই অষ্টচরণ কবিতা নিয়ে গ্রন্থের ভূমিকায় বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও গবেষক অশোকানন্দ রায়বর্ধন লিখছেন - “ মধ্যযুগে ইতালিতে এক বিশেষ ধরনের কবিতার প্রথম উদ্ ভব হয় , যার বৈশিষ্ট্য হল প্রতিটি কবিতা চোদ্দো চরণের এবং প্রতিটি চরণে সাধারণত মোট চোদ্দোটি করে অক্ষর থাকবে । এই কবিতার প্রথম আট চরণের স্তবককে অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় চরণের স্তবককে ষষ্টক বলা হয় । … এগুলোকে সনেট বলা হয় । বাংলা ভাষায় সনেট রচনার কৃতিত্বের অধিকারী কবি মাইকেল মধুসূদন...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা