মিথিলেশ ভট্টাচার্য এই মুহূর্তে উত্তরপূর্বের কথাসাহিত্যে গল্পকার হিসেবে এমন এক স্থানে বিরাজ করছেন যেখানে ধারেকাছে কেউ আছেন বলে প্রতীয়মান হয় না । মানুষ তার জীবিতকালে উপযুক্ত মর্যাদা পায় না এটা স্বীকৃত সত্য । একদিন আসবে যখন উত্তর পূর্বের সাহিত্যাকাশে মিথিলেশের নাম সর্বকালের শ্রেষ্ঠ গল্পকার হিসেবে উচ্চারিত হবে এ নিশ্চিত । একের পর এক গল্প যেন স্বতঃস্ফুর্ত ধারায় প্রসবিত হয়ে চলেছে তাঁর লেখনী থেকে । সামান্য ঘটনা কিংবা বিষয়কে আবর্তিত করে তাঁর গল্প নিজেই যেন ধরা দেয় অসামান্য হয়ে, আপন বৈভবে । সেই ‘ ছোট ছোট দুঃখ ব্যথা ’ গভীর হয়ে পাঠকের হৃদয়ে স্থান করে নেয় উৎকর্ষে , মুনশিয়ানায় । বয়ানকুশলতা , পোক্ত বুনোটের কারুকার্য , সংলাপের স্বতঃস্ফুর্ততা , অমসৃণ চলন আর সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে লুকিয়ে থাকা ঘটনাক্রমকে জহু রি র মতো তুলে এনে তাকে গল্পের আবর্তে সুচারু পরিবেশনার মাধ্যমে গল্পকার মিথিলেশ যে সৃষ্টিতে মেতে আছেন বহু দশক থেকে সেই বার্তা সাহিত্য পরিমণ্ডলে যে যথোচিত চর্চিত , নন্দিত কিংবা স্বীকৃত হয় না এ গল্পকারের নয় , সমাজেরই এক চরম ব্যর্থতা বই আর কিছু নয় । এই ধারণা আলোচ্য গ্রন্থের দ্বিতীয় ব্লার্বে কিছুট...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা