মানুষ জন্মের পর থেকেই দেখে ও শুনে শেখে এবং জগৎটাকে চেনে । পড়ে শেখার ব্যাপারটা আসে বহু পরে । সেই হিসেবে চেনা - জানার কিংবা বলা যায় শেখানো - জানানোর মুখ্য তথা প্রাথমিক মাধ্যম হচ্ছে চাক্ষুষ অর্থাৎ দৃষ্টি-শ্রবণসম্বন্ধীয় প্রদর্শন । তাই তো যুগ যুগ ধরে বয়োজ্যেষ্ঠদের থেকে কথা ও কাহিনি শুনে শুনে এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে চাক্ষুষ দেখে দেখেই ব্যক্তির জীবনবোধের শিক্ষালাভ সম্ভব হয়ে আসছে । প্রথাগত প্রাথমিক শিক্ষালাভ অবিহনেও তাই একজন মানুষ জীবনের বাস্তব শিক্ষা থেকে জ্ঞানলাভ করে আয়েসে না হলেও অনায়াসে কাটিয়ে দিতে পারেন জীবৎকাল । সুতরাং শ্রবণ - দর্শনের একীভূত মাধ্যম একজন মানুষের জীবনে যে প্রদান করে এক অমূল্য অবদান তাতে কোনও সন্দেহ থাকার কথা নয় । প্রাচীন কাল থেকেই তাই সমবেত দর্শক শ্রোতার সামনে পরিবেশিত হয়ে চলেছে এমন প্রদর্শন যার মাধ্যমে অশিক্ষিত লোকেদের কাছেও পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে কাঙ্ক্ষিত বার্তা । যাত্রা , নাটক , থিয়েটার , চলচ্চিত্র , দূরেক্ষণ , দূরসঞ্চার আদি এমনই এক একটি শিল্পমাধ্যম । ভারতে ভরতের নাট্যশাস্ত্র কয়েক হাজার বছর আগেই নাট্যশাস্ত্র অর্থাৎ নাটকের দিশা নির্দেশ করে নাট্যমাধ্যমকে সর্বস্তরে ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা