চোখ যখন কথা বলে তখন কথারা থেমে যায় , নিস্তব্ধ নিৰ্বাক পাহাড়ি রাতের জলসাঘরে আমি হয়েছি নীরব দৰ্শক হতবাক৷ পাহাড় চূড়ায় ছবি হয়ে যেতে যেতে সূৰ্যমুখীরা দেখেছি নতমুখ দেখিনি তো সেই মুখে রাত - প্ৰথমের লাজরাঙা ডাকাতিয়া সুখ৷ আঁটোসাঁটো বনানীর পথে পথে মাখা গোধূলির সোনা রোদ্দুর খাঁজ ভেঙে সেইপথে , আমি ছুটে চলি উজান সোপান বহু দূর৷ নীড়ে ফেরা পাখিদের পিছু পিছু জোনাকির ইতিউতি সান্ধ্যভ্ৰমণ আবছা আলোর পথে আমি সে ও সখা , চুপিচুপি কাকলিকথন৷ রাতশেষে প্ৰভাতের প্ৰথম আলোয় বনানী ভাঙেনি আড়মোড়া সূৰ্য ওঁঠা পালাশেষে দিনভর হইহই , সাঁঝবেলা কুহকে মোড়া৷ চোখে তার গোধূলির সোনালি দিগন্ত আভা আমি দেখি অপলক অজস্ৰ সোপান শেষে আমার দুচোখ জুড়ে শুধুই জোনাকি পাবক৷ তারপর সেই রাত হিমেল চাদরে ঢাকা , বহ্ন্যুৎসব কুটোর আগুন গোলাকার কথার আসর , আড়চোখে দমছুট , চাহনিতে গজল ধুন৷ কবিতায় কবিতায় , বনবীথিকায় মুখ তুলে চন্দ্ৰমুখী নজরবন্দি সহসা সেইক্ষণে ঝরঝর চরাচরে ঝরে যায় হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা৷ সেই থেকে ডাকাতিয়া চোখ তার ফিরে আসে রোজ বারেবারে সেই চোখে দেখি আমি মায়াময় পৃথিবীর রং রূপ , বলি তারে ফেলো না পলক তুমি , বেঁচ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা