‘সব ভালো যার শেষ ভালো’। পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬-এর সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচন ও রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাঙালি মাসাধিক কাল ধরে সারাক্ষণ চোখ রেখে চলেছিল সাম্প্রতিক ঘটনাবলির উপর। বিশেষ করে ত্রিপুরা, আসাম ও ঝাড়খণ্ড ইত্যাদি বাঙালি বহুল প্রদেশের মানুষেরা। দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলার ভাগ্যে কী আছে সেটাই দেখার ছিল। দীর্ঘদিন ধরে শাসক দলের লাগামছাড়া দুর্নীতি, মিথ্যাচার, গরিবের পেটে লাথি মেরে নিজেদের পকেট ভর্তি করার ঘটনা, বিধ্বস্ত নারী সুরক্ষা, তিলোত্তমার মতো প্রতিশ্রুতিবান ডাক্তারের নৃশংস হত্যা ও বিচারের নামে প্রহসন ও স্বজনপোষণ, কাটমানি, তোলাবাজি, চুনোপুঁটি নেতাদের দাদাগিরি, পার্টি অফিসের সীমাহীন দুর্নীতি ও সাধারণ জনগনের উপর অত্যাচার, অনুন্নয়ন, দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, আক্রমণ ইত্যাদি হাজার কুকর্মের ফল শাসক দল ভোগ করবে কিনা এ নিয়ে ঔৎসুক্য ছিল সবার। স্বৈরাচারী বামেদের মতো লুঠেরার দল তৃণমূলের পতন হবে কিনা, হলে কারা আসবে মসনদে তা ছিল দেখার। শেষমেশ দীর্ঘ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অন্তে পত্তন হল একটি নি...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা