কিছু কথা তীব্র অপ্রিয় হলেও বলতে হয় বইকী । তবু এসব কথা অপ্রিয় বলেই শুধু বলেন না অনেকে । এতে ভবিষ্যতে বড়ই বিড়ম্বনায় পড়তে হয় । বাবাও কোনোদিন বলেননি আগে । কিন্তু মাস ছয়েক আগে একদিন নিভৃতে কাছে ডেকে আমাকে বললেন কথাগুলো । বাবা এমন একটা সময় বেছে নিয়েছিলেন যখন মা ঘরে নেই । আমার প্রচণ্ড অস্বস্তি হচ্ছিল যদিও , বোধ করি আমরা এই যুগের ছেলে মেয়েরা হৃদয়ের দিক দিয়ে অনেকটাই শক্তপোক্ত হয়ে জন্মাই । জন্ম থেকেই এই পৃথিবীর রং রূপ দেখে অনেকটাই প্র্যাকটিক্যাল হয়ে পড়ি নিজেরই অজান্তে । সেদিন তাই অপ্রিয় হলেও , বারকয়েক বাবাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও পুরোটা শুনেছিলাম মন দিয়েই । কী বলেছিলেন সেদিন বাবা ? তার আগে একটু পরিচয় করিয়ে দেওয়ার দরকার আছে বাবার সঙ্গে । বাবাকে আমি মোটেও রাশভারী বলব না । খুব আমুদে এবং হইহই টাইপের ছিলেন তিনি । জীবনটাকে সামর্থ্যের মধ্যে উপভোগ করতে জানতেন । বাজে খরচ যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতেন । এ নিয়ে আমি আর মা মুখ টিপে টিপে হাসতাম । কৃপণ মনে হতো বাবাকে । অথচ কত বার কত জায়গায় যে আমাদের নিয়ে বেড়াতে গেছেন তার ইয়ত্তা নেই । বলতেন ভ্রমণে জ্ঞান বাড়ে । এদিকে নিজের জন্য খরচের বেলায় ভীষ্ণ র...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা