শীতের ভোরে ইচ্ছা অনিচ্ছার দোটানায় বিছানা ছেড়ে ওঠা এক প্রচণ্ড বিরক্তিকর ব্যাপার । এরপর হাতে যখন সময একেবারেই নেই এবং প্রায় দৌড়তে দৌড়তে স্টেশনে পৌঁছে দেখা যায় যে অন্য প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার চলমান সিঁড়ি স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং ঢাউস ট্রলিটি হাতে করে বয়ে উপরে উঠতে হয় তখন বিরক্তি কেমন চরমে পৌঁছায় ? কিন্তু এখানেই শেষ নয় । বিরক্তির আরো বাকি ছিল । জিনিসপত্র নিয়ে জোর পা চালিয়ে প্ল্যাটফর্মের শেষ প্রান্তে এসে মিনিট চারেক বাকি থাকতে কাঙ্খিত আসনে বসার পর দেখা গেল সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর ট্রেন তো নড়ছেই না । নির্ধারিত সময়ের পাক্কা 10 মিনিট পর ছাড়ল অগত্যা । এতসব বিরক্তিকর মুহূর্ত পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত আমাদের যাত্রা হলো শুরু । গুয়াহাটি থেকে নতুন করে আরম্ভ হওয়া ভিস্তা ডোম এক্সপ্ৰেস করে ন ' জনের কনভয় হৈ হৈ করে বেরিয়ে পড়লাম আসামের শৈল শহর হাফলং এর উদ্দেশে । ক্রিসমাস চমক । জানি না এর পর আর কী আছে কপালে । কারণ বিরক্তির শুরুটা কিন্তু একদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে গেছে । আসছি সে কথায় । আপাততঃ ন ' জন চলেছি । তিনটি পরিবার । মহিলারা পাল্লায় ভারী । একটি আপ্তবাক্য মনে পড়ছে । ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা