' তিতাস একটি নদীর নাম’ যদিও, তবু তিতাস এখন আর শুধুই একটি নদী মাত্র নয়। যুগন্ধর ঔপন্যাসিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ-এর হাত ধরে তিতাস এখন নদীমাতৃক অখণ্ড ভারতবর্ষ তথা অখণ্ড বাংলার সমাজদর্পণ হয়ে উঠেছে। উপন্যাসের সবটুকু শর্ত না মেনেও একটি ক্লাসিকের মর্যাদা পাওয়া এই উপন্যাসটি যারাই পড়েছেন তারা তিতাসকে ভালো না বেসে পারেন না। আমি বয়সের সাথে রূপ পাল্টাই নদী ঋতুর সাথে। ঝাঁপিয়ে পড়েছি তার উদোম বুকে সন্তরনের নবিশ যখন - কুল ছাপানো উদ্বৃত্ত তটে, যেন কাঁখে ধরা এক বেষ্টিত সন্তান। এর পর ভরা শ্রাবনে মদমত্ত যৌবন প্লাবনে জলকেলিতে গেয়েছি প্রেমের গান, নদী আমায় দিয়েছে উপহার উজাড় করা ভালোবাসায় সন্তানসুখ প্রতিদানে নিশ্চিত পরপার। আজও তাই অমোঘ আকর্ষণে ছুটে চলি নদীর পানে, নদী, তুমি স্থাপন করো ভালোবাসার অপার সুখের বিশ্ব। কালহীন ঋতুমতী স্রোতে - ঋতুহীন অবিরত। নদীর কুলুকুলু জলধারা শেষে মোহনায় বিলীন হয়ে যাওয়ার মতোই আমাদের জীবনধারা। এবং ধারাশেষে অনিবার্য মৃত্যুর মধ্য দিয়েই যেন নদীর সাথে আমাদের সখ্য, এত সাযুজ্য, এত ভালোবাসা। আমাদের নদীমাতৃক দেশের অগুনতি নদ-নদীকে পাশে সরিয়ে রেখে ভৌগোলিক স...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা