– এ তো দারুণ হবে কাকু । আমি ভাবতেই পারছি না । তুমি কবে আসছ ? মোবাইলের ও প্রান্তে খুবই উত্তেজিত শোনাচ্ছে জয়ন্তকে - আমি সব ব্যবস্থা করব । শুধু কী করতে হবে বলে দিও আমাকে । তুমি কোন চিন্তা করো না । আশ্বস্ত করে জয়ন্ত । তবু চিন্তা আর স্বপ্নেরা এসে ভিড় করে মস্তিষ্কে । অলকেশ তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ সঞ্চয়কে প্রকাশ করতে যাচ্ছেন জনসমক্ষে। পরিকল্পনা নিখুঁত হওয়া দরকার। এমনিতেই অলকেশ সব ব্যাপারে অত্যন্ত ফিটফাট। প্রথম জীবনের কিছু উপদেশ, কিছু সিদ্ধান্ত মাথায় ঢুকে যায় চিরদিনের জন্য। এই ফিটফাট থাকার ব্যাপারটাও তেমনি । তখন নতুন চাকরিতে জয়েন করেছেন অলকেশ। প্রথম যৌবনের প্রজাপতির পাখনা মেলার দিন তখন । যৌবনের আশা আকাঙ্ক্ষা স্বপ্নকে সাকার করার তাগিদ একদিকে আর অন্য দিকে পরিবর্তিত দেহরূপ নিয়ে নিত্যদিনের পরীক্ষা নিরীক্ষা। সদ্য গজানো গোঁফ দাড়ি নিয়ে বিস্ময়মাখা এক অহংকার। একদিন সাইট ডিউটিতে উচ্চপদস্থ অফিসার এসেছেন পরিদর্শনে। তাঁর কথা আগেই শুনেছে অলকেশ। ভীষণ রকমের পরিপাটি। কাজের ব্যাপারে সব কিছু নিখুঁত হওয়া চাই। সেভাবেই তৈরি হয়ে আছে অলকেশ। বিগত বেশ ক ’ টি রাত জেগে কাগজ পত্রের কাজ যথাসম্ভব গুছিয়ে রেখেছে । সাইটের...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা