প্রকৃতি জুড়ে এখন শেষ বর্ষার ঘোর ঘনঘটা । অমৃতবারিতে সিঞ্চিত ধরিত্রী। কবির চোখে বসুন্ধরা রূপ পালটায় ঘন ঘন । কবিমনেও ভাবনার পাহাড় জমে - মেঘ বাদল বৃষ্টির সম্মিলিত তানকর্তবে। সেই মেঘের সাথে মহাকবির কথোপকথন আর এর পর বর্ষাকে যিনি খুব কাছে থেকে দেখেছেন, যিনি বর্ষার অন্তর্নিহিত রূপটিকে মনন জুড়ে করেছেন অবলোকন, করেছেন আপন হৃদয়ে হৃদয়ঙ্গম , ছড়িয়ে দিয়েছেন প্রজন্মান্তরে - সেই আমাদের প্রাণের পুরুষ, আমাদের অস্তিত্বের গরিমা - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মননে বর্ষা কেমন ? অগণিত গানে কবিতায় অনবদ্য ছবি এঁকেছেন তিনি বর্ষার। রবীন্দ্রনাথের জীবনে ছয়টি ঋতুর বর্ণ - রূপ - রস চিরটাকাল গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল। প্রকৃতির কবির অন্তরাত্মার সঙ্গে ঋতুপর্যায় তাদের তাল - লয় - ছন্দে বাঁধা পড়ে গিয়েছিল। বসন্ত ঋতু ঋতুরাজ বলে কথিত হলেও রবীন্দ্রনাথের কাছে বর্ষাই যেন ছিলো ঋতুরাজ। একদা অতি শৈশবে বৃষ্টির সেই যে বিশেষ তাল , লয় আর ছন্দের সমলয় , আর তার সঙ্গে তরুলতার পাতার বর্ণিল ছন্দময় নড়ে ওঠা শিশু কবির মনে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা আজন্ম বন্ধনে কবিকে বেঁধে ফেলে। প্রতিটি ঋতুর নিজস্ব খেয়ালিপনা কবির মনে নানা রঙের দোলা দিলেও বর্ষ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা