জীবন নামের সরলরেখাটির শেষ বিন্দু পানে যতই এগোচ্ছি ততই স্বাচ্ছন্দ্য নামক অনুভূতিটির চাহিদা বেড়েই চলেছে একটু একটু করে । বালক বয়সে অভিভাবকদের সাথে বাজারে যাওয়ার খুব সখ ছিল। এর পেছনে বিভিন্ন কারণও ছিল। কিছু মুখরোচক খাবার খাওয়ার সৌভাগ্য তো হতোই কিন্তু এর সাথে মূল আগ্রহটা ছিল নানা রকম সাজানো পসরার সম্ভার। তখন খাদ্যসামগ্রীর প্রকৃত স্বাদ গন্ধ ছিল অটুট। আর ক্রেতা বিক্রেতার জমজমাট বেচাকেনার আসরে ছিল কতই না নিঃস্বার্থ লেনদেন। কিছু কথা , কিছু ঘটনা আমাদের মস্তিষ্কে পাকাপাকি ভাবে স্থান করে নেয়। এখনো তাই মনে পড়ে চাল ব্যাপারীদের সেই সুর করে মাপ গোণার দৃশ্য। মাপে ভুল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ওরা তাই বারবার উচ্চারণ করতো সেই মাপ। দাঁড়িপাল্লায় চাল মাপতো আর বলতো এক এক এক এক - দুই দুই দুই দুই - তিন তিন তিন তিন - এমনি। আমি চালের বাজারটা আদ্যোপান্ত ঘুরে ঘুরে দেখতাম নানা জাতের নানা রঙের চাল - আমাদের মূল খাদ্যশস্য। ১ থেকে ২ টাকা ছিল কেজিপ্রতি দাম। চ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা