প্রথমেই আসা যাক গ্রন্থনামে। এই গ্রন্থনাম নিশ্চিতই এক সুচিন্তিত ভাবনার ফসল তবে কবিতার বইয়ের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী হলেও এবং এই গ্রন্থের কবিতাসমূহকে আওতায় এনেও হয়তো অ ন্য কোনও গ্রন্থনাম অধিকতর মানানসই হতো। অন্তত ভূতগুলোকে তো বাদ দেওয়াই যেত। আজকের উত্তরপূর্বে অপেক্ষাকৃত কম বয়েসি কবিদের মধ্যে সাড়া জাগানো কবি কমলিকা মজুমদারের তৃতীয় বাংলা কাব্যগ্রন্থ, সার্বিক চতুর্থ। ‘…কিছু কিছু বই পুরো পড়তে নেই / কাব্যকথার ঠিক মাঝপাতা জুড়ে / ফুটিয়ে দিতে হয় লাল গোলাপ / মার্ক করা পাতারাই আসল প্রেম / প্রতিটা শেষ না-হওয়া সিরিজের বুকে। ’ - ৬৪ পৃষ্ঠার পাকা বাঁধাই গ্রন্থের ভূমিকাস্বরূপ ৯ লাইনের এক কবিতায় এমনই লেখা আছে যা কিছুটা হলেও খেই ধরিয়ে দেয় কবিতার ব্যতিক্রমী আঙ্গিকের। কবিতায় রয়েছে চিরাচরিত বৈচিত্র যা কবি ও কবির জন্য এক নির্ধারিত পরিচিতি। ফলে পুরোটাই পড়তে হয় এই বই। মোট ছয়টি দীর্ঘ কবিতার সমষ্টি এই গ্র ন্থের প্রতিটি কবিতা ১, ২, ৩... পর্বে লেখা । প্রথম কবিতা - ‘গল্পবিজ্ঞান’। গণিত কিংবা বিজ্ঞানকেও যে কবিতার সুললিত, কাব্যিক আবহে ধরতে পারা যায় তা করে দেখালেন কমলিকা। ডারউইন থেকে আইনস্টাইন, টেলিস্কোপ থেকে অক্সি...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা