একটা সময় আত্মীয় পরিজন সহ বন্ধু বান্ধবদেরও প্রচুর চিঠি লিখেছি। পোস্ট কার্ড , ইনল্যাণ্ড লেটার এবং খামে পাঠিয়েছি চিঠি। পেয়েছিও দেদার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বাইরেও বিদেশে নিয়মিত চিঠির আদান প্রদান করতাম। ভয়েস অব আমেরিকা , সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়াও ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলাস্থিত রেডিও ভ্যারিটাস এশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ ছিল চিঠিপত্রের মাধ্যমে। প্রতিদিন বিকেলে সময় হলেই পোস্ট অফিসে গিয়ে হাজির হতাম চিঠির নেশায়। ছোট্ট পোস্ট কার্ডে বিভিন্ন জ্যামিতিক আকারে কোঠা করে সাজাতাম কলম দিয়ে। তারপর প্রতিটি কোঠায় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হরফে সাজিয়ে লিখতাম অন্তর উজাড় করে। স্বল্প খরচে মনের যাবতীয় ভাব ভালোবাসা পৌঁছে দিতাম যথাস্থানে। এত সখের সেই সব অমূল্য সম্পদ কিন্তু যত্ন করে হেফাজতে রাখিনি কারণ কোনও দিন ভাবিনি যে এই পরম্পরা একদিন হারিয়ে যাবে ইতিহাসের পাতায়। এরই মাঝে মধ্যে মধ্যেই বড় পোস্ট অফিসে গিয়ে অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখতাম টেলিগ্রামের টরেটক্কা। এরপর একটু বদলে গেল জীবন যাত্রা। হাতের কাছে এসে গেল টেলিফোন। হাতের আঙুল দিয়ে ডায়াল ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে যোগাযোগ শুরু হলো অনেকের সাথে। চটজ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা