এক খেয়ালি কবির কবিতাযাত্রার বয়ান। ইচ্ছেরা তার ডানা মেলে এমন এক অনুষঙ্গের সৃষ্টি করে যা ‘শুধু কবিতার জন্য’। কবিতার জন্য কবি পথে নেমেছেন এবং পথ হাঁটছেন খেয়ালে, খুশিতে - পৃথিবীর শেষ রাস্তা ধরে পৌঁছে যাবো নিশীথ সূর্যের দেশে, উত্তর মেরুর গায়ে হেলান দিয়ে টানা বসন্ত জুড়ে রাত্রি উদ্যাপন করবো। বসন্ত কেটে গেলে ধীরে ধীরে… হিমবাহে সব ক্ষত খুলে রেখে, সমুদ্রের জলে অস্তি বিসর্জন করে, মহাপ্রস্থানের পথে যাত্রা করবো। (কবিতা - মহাপ্রস্থানের পথে) কিংবা - গাছ, মাটি আর জলের বন্দনা করি, ঘুমের মন্ত্র উচ্চারণে নেমে আসুক পুনর্জন্ম। আমাকে পাতার দেশে নিয়ে চলো বাতাস আমার অসুখ শুষে নিক, আমি মাটির কাছে আনত হবো, পাতার শরীরে এঁকে দেবো চুম্বন। বীজ আহরণ করবো, মন্ত্রপূত সূর্যকণা পুঁতে দেবো মৃত্তিকার গর্ভাশয়ে। (কবিতা - পুনর্জন্ম হোক) শেষোক্ত কবিতায় কবির নিরলস পথ চলার বাইরেও লক্ষ করলে দেখা যায় একগুচ্ছ শব্দাবলি যা কবির কাব্যমনষ্কতার পরিচায়ক। এক ঘোর লাগা পঙ্ক্তিসুখ খুঁজে পাওয়া যায় কবিতায়। এক পাগলপারা ইচ্ছেসুখের আবেগতাড়িত বয়ান, যেখানে পথ ও প্রকৃতিও এসেছে গভীর অনুষঙ্গ হিসেবে। এই কবিতায় আছে গাছ, মাটি জল, পাতা, বাতাস, বীজ, সূর্য...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা