“শরতে আজ কোন অতিথি, এলো প্রাণের পরে আনন্দ গান গা রে হৃদয়, আনন্দ গান গা রে।” বর্ষাশেষে এই শরতের স্নিগ্ধ, কোমল পরশে সত্যি আনন্দিত হয়ে ওঠে আমাদের মন, প্রাণ। আমাদের প্রাণের পরে উৎসবের আমেজ এসে অনাবিল মুগ্ধতায় ভরিয়ে দেয় যাপিত এই জীবন পথ। অথচ কেমন করে যে ধাপে ধাপে সীমানা ছাড়িয়ে মানুষ পেরিয়ে যায় এই জীবন পথ তা সে নিজেই জানে না। একটা সময় হৃদয়ে অনুভূত হয় শেষের সঙ্গীত। বেজে ওঠে জীবন পথের সালতামামি গান। প্রভাত থেকে অপরাহ্নের এই যাত্রাপথে কবিগুরুর বৈরাগ্যসাধনে মুক্তির অনীহার মধ্য দিয়ে ধ্বনিত হয় মরণের জয়গান - মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান। ‘অপরাহ্ন’ কবিতায় কবিগুরু লিখছেন - প্রভাতে যখন শঙ্খ উঠেছিল বাজি তোমার প্রাঙ্গণতলে , ভরি লয়ে সাজি চলেছিল নরনারী তোয়াগিয়া ঘর নবীন শিশিরসিক্ত গুঞ্জনমুখর স্নিগ্ধ বনপথ দিয়ে । আমি অন্যমনে সঘনপল্লবপুঞ্জ ছায়াকুঞ্জবনে ছিনু শুয়ে তৃণাস্তীর্ণ তরঙ্গীনিতীরে বিহঙ্গের কলগীতে , সুমন্দ সমীরে ।। - - - - - - - আজকের এই শিশিরসিক্ত ক্ষণে অপরাহ্নের ভাবনায় - সাজি ভরানোর শুভ সূচনায় গীত হোক - আমার রাত পোহালো শারদ প্রাতে। বাঁশি , তোমায় দিয়ে যাব কাহার হাতে। তোমার বুকে বাজল ধ্বন...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা