ঘন কালো প্রচ্ছদের মধ্যিখানে একটি হ্রদ কিংবা বিলের জলে পড়ন্ত সূর্যের আবছা আঁধার। প্রেক্ষাপট সম্ভবত বরাকভূমের গর্ব শনবিল। কারণ জলে হিজলজাতীয় গাছ দাঁড়িয়ে রয়েছে বিশিষ্টতার প্রতীক হয়ে। ভেতরের পাতা ওলটালে কবিতায়, নিবন্ধে পার্শ্ববর্তী রাজ্য মণিপুরের অমানবিক ঘটনার বিস্তৃত প্রতিবেদন। ভাবনার আবর্তে নিমজ্জিত হতে বাধ্য পাঠক মন। এক কালো অধ্যায় , অথচ এই মণিপুরেই আছে এমনি এক গর্বের জলাশয়। মহাদেশের সর্ববৃহৎ স্বচ্ছ জলের হ্রদ - লো গ তাক। আজ গোটা দেশে এবং সমাজে মণিপুর এক অস্বচ্ছতা তথা কলঙ্কগাথার নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়েছে । প্রতীকী এবং প্রাসঙ্গিক হিসেবে তাই অভিহিত করা যায় বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্যের ছিমছাম প্রচ্ছদ। এমনই এক অমানবিকতা, অশান্তি, অব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি শিলচর থেকে প্রকাশিত হল ‘মানবী’ পত্রিকার সপ্তদশ বর্ষ, তৃতীয়-চতুর্থ যুগ্ম সংখ্যা। জুলাই - ডিসেম্বর ২০২৩। আজকাল এভাবেই যুগ্ম সংখ্যা হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে মানবী। শেষ কবে ত্রৈমাসিক একক সংখ্যা হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে জানা নেই। এবারের সংখ্যার সম্পাদনার চারজনের গোটা সম্পাদনামণ্ডলী। পৃষ্ঠা সংখ্যা ৭২। সম্পাদকীয়তে বরাবরের মতোই আছে কিছু চমৎকার কথন ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা