বেশ খানিকটা দেরি করেই প্রকাশিত হলো ‘পূর্বাদ্রি’র উৎসব সংকলন ১৪২৬। মুদ্রণ ও উন্মোচনের ধাপগুলো পেরিয়ে আসতে আসতে শরৎ থেকে হেমন্ত পেরিয়ে শীতের এক সন্ধ্যায় অবশেষে উন্মোচিত হলো উত্তর পূবের গর্বের ছোটপত্রিকা ‘পূর্বাদ্রি’। ভৌগোলিক অবস্থান তথা সম্পাদক দেবাশিস দত্তের একক প্রচেষ্টা, একা হাতের তদারকি, তাঁর শারীরিক অবস্থা এসব কিছুই পত্রিকাটির গর্বের মূল কারণ । কবি, চিত্রশিল্পী বিকাশ সরকারের রেখাচিত্রে উৎসবের আমেজময় প্রচ্ছদে সেজে ঊঠেছে ‘পূর্বাদ্রি’র এই পঁচিশতম সংখ্যাটি। প্রথমেই বলে নেয়া ভালো - অন্তত ১৪ ফর্মার বিষয়বস্তুকে ঠেসে দেওয়া হয়েছে ১২ ফর্মার এই পত্রিকায়। স্বভাবতই পড়তে গিয়ে ‘চোখের ঘাম’ পায়ে ফেলতে হবে। বাংলা লিটল ম্যাগাজিনের পাঠকের গড় বয়স নিঃসন্দেহে পঞ্চাশের উপর, অর্থাৎ ‘চোখের চালশে’ পেরিয়ে । তাই এই ব্যাপারটা চিন্তায় রাখা খুব প্রয়োজন। বিষয় বৈচিত্রে তথা বিষয়ের গভীরতায় ‘পূর্বাদ্রি’ বরাবরই প্রকৃষ্ট। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ব্যতিক্রমী বিষয়সূচীতে আছে বিভিন্ন ভাগে বিন্যস্ত মোট ৫টি ভিন্নধর্মী প্রবন্ধ, ৪টি ছোটগল্প - যদিও আকারে ছোট নয় সবগুলো, একগুচ্ছ কবিতা, ১টি দীর্ঘ কবিতা এবং জীবন যাপন শিরোনামে এক...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা