রোজনামচা আজ সারাটা দিন কী ধকলটাই না গেল সকাল থেকে শুধু ছোটাছুটি আর অগুনতি নপুংসক মুহূর্ত। আমার ভালো খাতায়, কালো খাতায় বাঁধিয়ে রাখার মতো কিছু অন্তরঙ্গ কাহিনি। ঘুম থেকে উঠেই মনটা কেমন যেন তিক্ত স্বাদে ভরে ওঠে - মেয়েটাও ঘরে নেই। মায়ের সাথে মামার বাড়ি। ভাবলুম অন্ধকারে কবিতা লিখি। বসে গেলুম ঘটা করে। সঙ্গে নিলুম - কাগজ কলম অভিধান মোবাইল ফোন রিমোট কন্ট্রোল আর বাদাম - বিশাল আয়োজন। বসে বসে ধ্যাননিমগ্ন ইস্তক ভেবে চিন্তেও মিলাতে পারলুম না দু’ছত্র। ধুস, উঠে পড়ি। পেটে কিছু একটা চালান না দিলে নয়। নস্যি মহাজনের চাওমিনও যেন আজ বিস্বাদ। তা-ই গিলে যাচ্ছিলুম অফিসে - রাস্তায় এক দুর্ঘটনা। আমার দ্বিচক্রযানের আলতো চুমোয় আহত এক অচেনা পথিক। উত্তেজিত জনতাকে সামলাতে হিমশিম। শেষে বলতেই হলো আমি পুলিশের লোক - বেমালুম মিথ্যে। বলতেই হয়, নাহলে - - - মুক্তি শেষে চলে চলে গিয়েও মুক্তি নেই। অফিসে গিয়েই খবর পেলুম বস আসছেন। পিত্তি জ্বলে যায় মাইরি ! একটুখানি শান্তির আশা নেই। বস এসেই তো খামোখা হম্বিতম্বি। আমারও মাথার এদিন ঠিক নেই। বসকে রেখেই বেরিয়ে এলুম। কোথায় যাই ? সিনেমা দেখবো ? আহা সেইসব দিন ! ওহ বোরিং ! তিনটে ঘণ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা