‘বর্ষার মাঝামাঝি। পদ্মায় ইলিশ মাছ ধরার মরসুম চলিয়াছে...। কুবের মাঝি আজ মাছ ধরিতেছিল দেবীগঞ্জের মাইল দেড়েক উজানে। নৌকায় আরো দুজন লোক আছে। ধনঞ্জয় এবং গণেশ। তিন জনের বাড়িই কেতুপুর গ্রামে...।’ মানিক বব্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র প্রথম তিনটি পরিচ্ছেদ শুরু হয়েছে এভাবেই। এবং চরিত্রের উপস্থিতি শুরু হয় একত্রে এই তিনজন দিয়েই যদিও পরবর্তীতে শেষোক্ত দুজন ক্রমে গৌণ হয়ে গেলেও পুরো উপন্যাস জুড়ে রয়ে গেছে কুবের চরিত্রটি - গণেশের ভাষায় ‘কুবির’ হয়ে - প্রধান চরিত্র হয়ে। ### রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নষ্টনীড়’ গল্পে যেখানে ভূপতি, চারুলতা ও অমলের মধ্যেকার জটিল ও গুরুগম্ভীর সম্পর্কের এক নিস্তরঙ্গ ও মনস্তাত্ত্বিক চিত্র ফুটে উঠেছে সেখানে ভিন্নতর আঙ্গিকে শ্যালিকা ও ভগ্নীপতির মধুর সম্পর্ক নিয়ে রয়েছে তাঁর সেই বিখ্যাত কবিতা - ‘বর এসেছে বীরের ছাঁদে’ - ‘শ্যালীর সঙ্গে ক্রমে ক্রমে আলাপ যখন উঠল জমে, রায়বেঁশে নাচ নাচের ঝোঁকে মাথায় মারলে গাঁট্টা। শ্বশুর কাঁদে মেয়ের শোকে বর হেসে কয় - ঠাট্টা’ !...’ ‘পদ্মা নদীর মাঝি’তেও অনুরূপ একটি চিত্র প্রত্যক্ষ করা যায় কুবের, তার স্ত্রী ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা