গ্রামছাড়া ওই রাঙা মাটির পথ আমার মন ভুলায় রে। ওরে কার পানে মন হাত বাড়িয়ে লুটিয়ে যায় ধুলায় রে॥ ও যে আমায় ঘরের বাহির করে, পায়ে-পায়ে পায়ে ধরে-- ও যে কেড়ে আমায় নিয়ে যায় রে যায় রে কোন্ চুলায় রে। ও যে কোন্ বাঁকে কী ধন দেখাবে, কোন্খানে কী দায় ঠেকাবে-- কোথায় গিয়ে শেষ মেলে যে ভেবেই না কুলায় রে॥ গরমের রেশ - যেন 'শেষ হইয়াও হইল না শেষ'। ওদিকে সন্ধে হতেই হালকা হিমের আমেজ। এই আমেজে তখনই তো হয় সোনায় সোহাগা যখন ছেলেবেলার একদল বন্ধু মিলে চলে হৈ হৈ আড্ডা। চায়ের কাপে জীবন চর্চা। আহা কোথা দিয়ে যে চার চারটি ঘন্টা বেমালুম খতম - টেরই পেলাম না। মধুর, তোমার শেষ যে না পাই প্রহর হল শেষ-- ভুবন জুড়ে রইল লেগে আনন্দ-আবেশ ॥ দিনান্তের এই এক কোনাতে সন্ধ্যামেঘের শেষ সোনাতে মন যে আমার গুঞ্জরিছে কোথায় নিরুদ্দেশ ॥ সায়ন্তনের ক্লান্ত ফুলের গন্ধ হাওয়ার 'পরে অঙ্গবিহীন আলিঙ্গনে সকল অঙ্গ ভরে। এই গোধুলির ধূসরিমায় শ্যামল ধরার সীমায় সীমায় শুনি বনে বনান্তরে অসীম গানের রেশ ॥ অসীম গানের রেশ নিয়েই নিগমানন্দ সুইটস্ এর আড্ডাঘর থেকে বেরিয়ে আট বন্ধু যে যার আস্তানায়। আমার গন্তব্য আমার জন...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা