Skip to main content

Posts

Showing posts with the label শ্রদ্ধাঞ্জলি ৩

সরস্বতী বিদায়

আজীবন এক মহীরুহ ছায়া তলে কাটিয়েছি বেলা তরু মূলে প্রাণে গান ছিল মনে সুর ছিল ভবঘুরে ঘোরে মনপাখি উড়ছিল। সেই যে মহীরুহ ছুঁয়েছে আকাশ এল কোথা থেকে হাওয়া একরাশ বেলাশেষে পঞ্চভূতে হলো লীন ধ্বস্ত বেলায় তনু মনহীন প্রাণহীন। যাবার বেলায় কণ্ঠে নিয়ে গান ছুটে চলে অনন্ত ধামে মহীয়ান হাতে হাত ধরে করুণা ধারায় সরস্বতী মা ও মেয়ে অনন্ত বিদায়। বিসর্জনে মর্ত্য ফেরত সরস্বতী ভাসেন জলে মূর্তিমতী অনন্ত ভাসানে মেয়ে সরস্বতী চলে ভবঘুরের মনাকাশে চিতার আগুন জ্বলে।   ( সুরসম্রাজ্ঞীর প্রয়াণে শ্রদ্ধাঞ্জলি, ০৬ - ০২ - ২০২২ )

অমৃতলোকে দেবাশিস দত্ত

‘রবীন্দ্রনাটকে মৃত্যু’ নিয়ে সুগভীর অধ্যয়নসঞ্জাত গ্রন্থ প্রকাশের এক বছরের মধ্যেই বিচিত্র সেই মৃত্যুলোকে পাড়ি জমালেন উত্তর পূর্বের গর্বিত তথা ব্যতিক্রমী সাহিত্য ব্যক্তিত্ব দেবাশিস দত্ত। উপজাতি অধ্যুষিত নাগাল্যাণ্ড রাজ্যে বসবাস করে পাহাড়সম প্রতিকুলতাকে সামলে নিরলস সাহিত্যদেবায় ব্রতী এই সাহিত্যিকের মৃত্যু স্বভাবতই সৃষ্টি করে গেল এক অপূরণীয় ক্ষতি। বাংলা ভাষার ব্রাত্য এই অঞ্চলে কিছু মননশীল পথের সাথীকে নিয়ে তিনি সাহিত্যের মরুদ্যানে ফুল ফোটানোর যে কাজটি করে গেছেন আজীবন তা কোনও অংশেই এক আন্দোলনের চাইতে কম কিছু নয়। এক অন্তহীন সংগ্রামের পথেই অন্ত হয়ে গেলেন মহাশূন্যে। ৭৮ বছর বয়সে নিজেকে সাহিত্যসেবায় নিয়োজিত করে রেখেই রোগের কাছে হার মানতে হলো এই বর্ষীয়ান সাহিত্যিককে। তীরে এসে তরী ডোবার মতোই তাঁর অন্তরের ধন - সাহিত্য পত্রিকা ‘পূর্বাদ্রি’র শেষ সংখ্যাটি দেখে যেতে পারলেন না। এক বলিষ্ঠ প্রত্যয় ও দায়বদ্ধতা নিয়ে ১ অক্টোবর ২০০৩ ডিমাপুর থেকে আত্মপ্রকাশ করেছিল ‘পূর্বাদ্রি’। নববর্ষ ও শারদ সংখ্যা রূপে ‘পূর্বাদ্রি’ গত বছর প্রায় পর্যন্ত নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্য কোনও প্রান্তিকতায় আবদ্ধ হতে পারে না - এ প্রত্...