বিমলেন্দু চক্রবর্তীর ‘একটি চশমা কিংবা তার বিনির্মাণ’ গল্প বলার এবং গল্প লিখারও ধরণ পাল্টেছে আমূল। এ এক নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া। যুগের সাথে পাল্লা দিয়ে এসেছে নিত্য নতুন দৃশ্যপট, পারিপার্শ্বিকতা, চিন্তা ধারা এবং তারই প্রতিফলন উঠে আসে সাহিত্যে। ভাষায়, বিষয়ে ফুটে ওঠে আবহমান সময়। ধরা থাকে ইতিহাসের পাতায় ছবি হয়ে। এটাই চিরন্তন সত্য। একই সত্যের সূত্র ধরে অতি সম্প্রতি গুয়াহাটির মজলিশ বইঘর থেকে প্রকাশিত হয়েছে কবি, গল্পকার বিমলেন্দু চক্রবর্তীর গল্প সংকলন - একটি চশমা কিংবা তার বিনির্মাণ। এটি গল্পকারের প্রথম গল্প সংকলন। এর আগে প্রকাশিত হয়েছিল একটি কবিতা সংকলন যা সাড়া জাগিয়েছিল পাঠক মহলে। খানিকটা ব্যতিক্রমী বটে এই আলোচ্য গ্রন্থটির নামাকরণ । আসলে এই শিরোনামে রয়েছে দুই মলাটের ভিতরে একটি গল্প। গল্পকারের চিন্তায় হয়তো এই গল্পটিই সবচাইতে বেশি আলোড়ন তুলেছে । তাই এই না মা করণ। পঠনান্তে পাঠকের চিন্তায় কি সৃষ্টি হয়েছে একই আলোড়ন ? আলোচনা করা যাক। মোট ১২৮ পৃষ্ঠার এই সংকলনে গ্রন্থিত হয়েছে ২১ টি গল্প। প্রথম মলাটের ভেতরের প্রচ্ছদে গল্পকারের সম্যক পরিচিতির কিছু অংশ এখানে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে। - “গল্পের হাতেখ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা