গল্পের জগৎ বড়ই বিচিত্র। কিছু কথা, কিছু ভাবনাকে গদ্যে প্রকাশ করার এই শিল্প এতটাই বিস্তৃত যে সাহিত্যের অন্যতম এই শাখাটি সাহিত্য-ভুবনে আপন মহিমায় সততই মহিমান্বিত। বিস্তৃতি অনুযায়ী গল্পের আবার স্বীকৃত তিনটি ভাগ আছে। বড়গল্প, ছোটগল্প এবং অণুগল্প। বড়গল্প এবং ছোটগল্পে যেখানে ভাবপ্রকাশের বিস্তৃত সুযোগ থাকে সেখানে অণুগল্পের সেই বিস্তৃত পরিসর না থাকায় স্বল্প কথায় ফুটিয়ে তুলতে হয় কাহিনি। তাই অনেকের মতে অণুগল্পেই লেখার মুনশিয়ানার প্রয়োজন সবচাইতে বেশি। গল্পের ভাব, ভাষা, চরিত্র, সংলাপ, বুনোট, উপসংহার সবকিছুকেই সংকুচিত আকারে প্রকাশ করার জন্য প্রকৃতার্থেই প্রয়োজন এক ভিন্নতর মুনশিয়ানা। উত্তরপূর্বের বাংলা সাহিত্যে গল্প অর্থাৎ ছোটগল্পের উপস্থিতি যথেষ্ট উপলব্ধ হলেও অণুগল্প বা অণুগল্পের সংকলন তেমন নেই। আজকের দিনে অণুগল্পে মুনশিয়ানা দেখাতে পারছেন যে ক’জন গল্পকার তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম মঞ্জরী হীরামণি রায়। অজস্র অণুগল্পের স্রষ্টা এই লেখকের রয়েছে অণুগল্পের সংকলনও। মৌপিয়া চৌধুরী নিয়মিত লেখক না হলেও গল্প, কবিতায় তাঁর উপস্থিতি অনস্বীকার্য। স্বাতন্ত্র্য আছে লেখায়। স্বল্পদৈর্ঘের গল্পের সংকলন রয়েছে তাঁরও। সম্প...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা