বিধ্বস্ত মানবিকতা ও প্রকৃতির প্রতিশোধ “গগনে গগনে আপনার মনে কী খেলা তব , তুমি কত বেশে নিমেষে নিমেষে নিতুই নব” । বিশ্বজোড়া মহামারীর করাল গ্রাসে আজ বিপর্যস্ত মানব প্রজাতি। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় এক নির্দিষ্ট সময় কালের অন্তরে এই বিপর্যয় ফিরে ফিরে আসে পৃথিবীর বুকে। দর্পচূর্ণ ঘটে ধরিত্রীর সর্বাপেক্ষা উন্নত ও একমাত্র বোধবুদ্ধিসম্পন্ন জীবের। কালের নিয়মে আবার শান্ত হয় ধরা, আবার ধীরে ধীরে দুষ্কৃতির পয়োভার ঘটে সুকৃতিকে ছাপিয়ে। এইভাবেই পুনরাবৃত্তি ঘটে ইতিহাসের। প্রতিষ্ঠিত সত্যের মতো পুনঃসংস্থাপিত হয় সেই চিরন্তন আপ্তবাক্য - “পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম ধর্ম সংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে”। আজকের যুগে এখানে ধর্ম অর্থে সুকৃতি, শুভ চিন্তাকেই মান্য বলে আমরা ধরে নিতে পারি। সাধু অর্থে শুভ চিন্তক তথা দুষ্কৃতি অর্থে অশুভ, কুটিল চিন্তাধারাকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সময়ের চাকা যতই জোরে ঘুরতে থাকে মানুষের আত্মিক বোধশক্তির ততই অধঃপতন ঘটতে থাকে। আত্মকেন্দ্রিকতা, আত্মম্ভরিতা, স্বার্থপরতার বহর ততই বাড়তে থাকে। এভাবেই পাপের ভাঁড়ার স্ফীত হতে হতে একটা সময় মানুষ ধরাকে সরা জ্ঞান করতে শিখে যা...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা