‘ শেষের রূপকথা ’ - ভালোবাসার শেষ কথা' আবির্ভাবেই চমকে দিলেন পারমিতা । হ্যাঁ , শুধুই পারমিতা - এরও একটা হেঁয়ালিভরা ব্যাখ্যা আছে শেষ প্রচ্ছদে । “ রবীন্দ্রভাবনায় বেড়ে ওঠা পারমিতা স্বাধীনচেতা বলেই নিজেকে শুধুমাত্র ‘ পারমিতা ’ বলতে বেশি ভালোবাসেন কোনোরকম পদবী ছাড়া । কারণ সৃষ্টিশীল কাজে তিনি শুধুমাত্রই পারমিতা । ” এ ভাষ্য প্রকাশক ভিকি পাবলিশার্সের । গোটা কাব্যগ্রন্থের পরতে পরতে এমনি সব হেঁয়ালির সঘন ব্যবহার পাঠককে করে তুলেছে পিপাসার্ত , কাব্যসুষমার রসাস্বাদনে ব্যাকুল । “ মাঝে মাঝে অগাধ শূন্যতা বুকে মুড়ে নিতে হয় , তোকে ভালোবাসতে গেলে তাই অবাধ আকাশ হতে হয় ” কিংবা - “ তুই সোনালি নূপুর বলেছিলি আমি গনগনে আগুনের শেকল বেঁধেছি শ্যামলা পায় । বল দেখি - - - মেঘমল্লার কী করে ভেজাবে আমায় ? দেখে যা অনি - - - আমিও কেমন বিদ্যুৎ এঁকে দিতে পারি তোর কালো আকাশের গায় । “ অলক্ষ্যে থাকা ‘ অনি ’ চরিত্রকে উদ্দেশ্য করে এমনি কত হৃদয় নিংড়ানো কথার কথামালায় সেজে উঠেছে একের পর এক নাম - না - জানা কবিতা । এখানেও হেঁয়ালি । শিরোনাম বিহীন কবিতায়ও অবলীলায় সৃষ্টি হয়েছে কবি ও প...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা