Skip to main content

Posts

Showing posts with the label গ্রন্থ আলোচনা ২৬৬

জোনাকি নিভে গেলে কবে কে আর হয়েছে কাতর...কবিতায় উদ্ভাসিত জীবনবোধ

একটি কাব্যগ্রন্থ সব সময় বিষয়ভিত্তিক নাও হতে পারে। একগুচ্ছ কবিতা - যাকে বলে পাঁচমিশেলি, সব মিলিয়ে দিব্যি তা হতেই পারে। কিন্তু গ্রন্থের নিবিড় পাঠে অবধারিতভাবেই উঠে আসে এক নিশ্চিত নির্যাস। অন্তর্নিহিত এক বিষয় ভাবনা। উত্তরপূর্বের কবি ঋতা চন্দের সাম্প্রতিকতম পঞ্চম কাব্যগ্রন্থটি আবার প্রকাশিত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান থেকে। এতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। বিশ্বায়নের যুগে বরঞ্চ এটাই স্বাভাবিক। গ্রন্থনামে ‘জীবন’ শব্দটি রয়েছে এবং অবধারিতভাবেই উঠে এসেছে কবির জীবনভিত্তিক এক স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি। কবিতায় কবিতায় কবি নিজেকেই করেছেন উদ্ভাসিত। নানা আঙ্গিকের, নানা বিষয়ের উপর আলোকপাত করতে গিয়ে যে ভাবনাটি মূর্ত হয়েছে স্পষ্টতর অনুষঙ্গে তা হচ্ছে কবির জীবনের দু:খসুখের, হতাশার, ক্ষোভের আবার প্রাপ্তিসুখেরও বহি:প্রকাশ, মুখবন্ধে যা নিজেই করেছেন ব্যক্ত। কোনো এক ‘তুমি’কে উদ্দেশ করে ‘আমি’র নির্ঘোষ বয়ানে ধরা আছে সেইসব অনুভূতি - পঙ্ক্তির পর পঙ্ক্তি জুড়ে। এসব নিয়েই কিংবা এসব ছাড়াও রয়েছে জীবনবোধ, অভয়া, করোনা, জুবিন গর্গ, ভাষা শহিদ, অপ্রাপ্তির বেদনা, উপত্যকার বিভেদ, নাগরিকত্বের বিড়ম্বনা আদি প্রসঙ্গ। আসলেই কবিমন দূরে থাকতে পারে...

মৃত্যুর পাশে বসে আমি কবিতা লিখেছিলাম... এক সুখপাঠ্য কবিতার সম্ভার

প্রচ্ছদে গ্রন্থনাম দেখে খানিক ধন্দে পড়তেই হয় বইকী। ১/৮ ক্রাউন পেপারের সংক্ষিপ্ত আকারের আবার হার্ডবোর্ড বাঁধাইযুক্ত গ্রন্থটির ভিতরে ঠিক কী আছে - কাব্যবিষয়ক কথা নাকি কথার কাব্যরূপ তা অনুধাবন করতে অনতিবিলম্বেই প্রবেশ করতে হবে গ্রন্থের অভ্যন্তরে। পৃষ্ঠাসংখ্যা নেহাত কম নয়। দেখে বোঝার জো নেই যে এই ক্ষীণাঙ্গ গ্রন্থের ৫০ পৃষ্ঠা জুড়ে রয়েছে ৪০টি কবিতা। অর্থাৎ কিনা ‘কবিতার কথা’ আসলেই এক কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থের কবিতাপর্ব শুরু হওয়ার আগেও মঙ্গলাচরণ হিসেবে রয়েছে একে একে একটি শুভেচ্ছা বার্তা, ‘শুভেচ্ছা নিরন্তর’ শিরোনামে কবি নারায়ণ মোদকের শুভেচ্ছাসংবাদ এবং কবির তরফে সাকুল্যে পাঁচ লাইনের একটি ‘ভূমিকা’ - যার পুরোটাই তুলে দেয়া যায় এখানে - ‘আমার এলোমেলো অনুভূতির বন্যায় ভেসে ওঠা কিছু শব্দ দিয়ে তৈরি করেছি আমার এই ‘কাব্য কথা’। সোহাগি শ্রাবণ, মায়াবী রোদ, হারানো শৈশব, কঠিন বাস্তব সবকিছুই খুঁজে পাবেন আমার এই দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থটিতে। কবিতা পড়তে পড়তে যদি পাঠকেরা নিজেদের জীবনের সাথে যৎসামান্য পরিমানও মিল পান, তবেই আমার কলম সার্থক।’ বাহুল্য বর্জিত এই ক্ষুদ্র ভূমিকার মধ্যে কবি সাজিয়ে রেখেছেন বৃহৎ পরিসর। কে বলে কবিতার ...