লিখেছিলাম - কবির শহর শিলচর। স্বভাবতই এবারের একদিবসীয় শিলচর ম্যাচের প্রথম অভারেই অর্থাৎ সকালেই আমার সারাক্ষণের ছায়াসঙ্গী তথা শহর শিলচরের জনপ্রিয় সামাজিক ব্যক্তি পীযূষ দেবরায় কে সঙ্গে করে কবি সান্নিধ্যে শুরু হলো দিনভর দৌড়ঝাঁপ। বিশিষ্ট কবি সুশান্ত ভট্টাচার্যের আবাসগৃহটিই আমার কাছে নস্টালজিক। গুরুচরণ কলেজে উঠে যাওয়ার পথের মুখেই ছবির মতো সাজানো কাব্যনীড়। আমার কলেজ জীবনের 'আসা যাওয়ার পথের ধারে' এই ঘরের সামনে দিয়ে ছিল নিত্যদিনের পথ মাড়ানো। মেন গেট দিয়ে ঢুকতেই উঠোন ভরা শেষ শরতের ঝরা শিউলি পেরিয়ে পোর্টিকোর সদর দরজায় সদাহাস্য চিরনবীন অগ্রজকবি সুশান্ত-দা।পম্পা বৌদির বদান্যতায় চা মিষ্টি সহযোগে জম্পেশ হলো আড্ডা। সুশান্ত-দা দিলেন তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ BLUE HORIZON এবং ছিমছাম ছোট পত্রিকা শারদীয়া বালার্ক। এক ঘন্টার জমজমাট আড্ডা শেষে বাইরে বেরিয়েই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সরাসরি মুখোমুখি আত্মীয়সম তরুণ কবি নীলাদ্রি ভট্টাচার্যর সঙ্গে। আবার একপ্রস্থ আলোচনা। এই মুহূর্তে আমার কাছে নীলাদ্রি হলো এ অঞ্চলের সবচাইতে সফল কবি যার কবিতার শৈলী আমাকে আকৃষ্ট করে নিরন্তর। ন...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা