একটি কাব্য সংকলন, অথচ কোনও সম্পাদকীয় নেই; এমনটাই ভাবতে ভাবতে অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেল সম্পাদকীয়। সচরাচর গ্রন্থের শ্রীগণেশেই থাকে সম্পাদকীয়। এখানে ব্যত্যয় ঘটেছে এই ধারার। সবার কবিতা পৃষ্ঠাবদ্ধ হওয়ার পর ‘আমার কথা’ শিরোনামে কবি, সাহিত্যিক, সম্পাদক অশোক বার্মা স্থান দিয়েছেন সম্পাদকীয়ের। গরজ ও নিবেদন একেই বলে। আজীবন সাহিত্যের এক একনিষ্ঠ পূজারি তথা অসম সরকারের সাহিত্য পেনশন প্রাপ্ত এই সম্পাদক এর আগেও সম্পাদনা করেছেন বহু সংকলনের। তবে এবারের আলোচ্য এই সংকলন ব্যতিক্রমী সংকলন হিসেবে পাঠক তথা সংগ্রাহক সমাজে যে সমাদৃত হবে তা একশো ভাগ নিশ্চিত। এই সংকলন প্রকাশের গোড়ার কথা জানার অভিপ্রায়ে তাই চোখ বুলানো যাক সম্পাদকীয় রচনার নির্বাচিত কিছু অংশে। সম্পাদক লিখছেন - ‘ তারা অসূর্যম্পশ্যা ছিল। ছিল সীমিত বৃত্তের ভিতর... ঘর এবং সংসার সামলানোই ছিল তাদের একমাত্র কাজ। কেউ কেউ তো বলেছেন, নারী সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র। ... আজ শিক্ষার বিস্তার হয়েছে। মানসিক ঔদার্য সেই তুলনায় বাড়েনি। দৃষ্টিভঙ্গির, ভাবনা চিন্তার বিশেষ বদল হয়নি। .... তেজস্বিনী মহিলারা জীবন-যুদ্ধে অকুতোভয়ে এসবের প্রতিবাদ করছেন, লড়ছেন এবং নজির সৃষ্টি করছেন। ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা