বাইরে গরমের পারদ চড়ছে তরতরিয়ে। ক’দিন থেকেই এমন হচ্ছে। সকাল থেকেই কাঠফাটা রোদে যেন ঝলসে যায় পৃথিবী। আবার বিকেলে একপ্রস্থ ঝড় তুফান। ঘরের ভেতরেও অ-সুখের মাত্রা যেন বেড়েই চলেছে মানসের। অথচ এমনটা হওয়ার তো কোনো কথা ছিল না। কিন্তু হলো তো। হতাশায় নিজের মাথার অবশিষ্ট চুলগোছাকেও টেনে ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে মানসের। কিন্তু আপাতত সেই শক্তিটুকুও যেন নেই মনে হচ্ছে। তার মধ্যে আবার এই মুহূর্তে অনেকগুলো কাজ তাকে করতেই হবে নিজের হাতে। ঘরে সব মিলিয়ে চারটে প্রাণী থাকলেও এই মুহূর্তে , আজ প্রথম বারের মতো মানসের মনে হচ্ছে সে ভীষণ একা। আগেও বারকয়েক এমন চিন্তাধারা যে আসেনি তার মনে এমনটা নয়। তবে খুব সহজেই এড়িয়ে গেছে এসব। দানা বাঁধতে দেয়নি অন্তরে। আজ যেন হঠাৎ করে জীবনের সার সত্যটা বড্ড নিদারুণ ভাবে প্রকট হয়ে ভেসে উঠেছে চোখের সামনে। শেষ কবে অসুস্থ হয়েছিল তা মনেই করতে পারে না মানস। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা অধিক থাকায় রোগ শোক সহজে এসে কাবু করতে পারেনি। এবার কিন্তু পরিস্থিতি একটু অন্য রকম। কাল বিকেল থেকেই টের পাচ্ছিল অসুস্থতা। প্রথম দিকে গায়ের জোরে পাত্তাই দিতে চাইছিল না এতটুকু। কিন্তু ধীরে ধীরে হাতের নাগাল থেকে ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা