কবিতার গায়ে নিভৃত যতনে যত বার রাখি হাত ততই কবিতা আমাকে ডোবায় ফিরে আসে প্রতিঘাত। শ্রীকুমার আমি আপন আদলে গড়ে তুলি যত ছাঁচ পুড়ে মরি শুধু ব্যর্থ দহনে তপ্ত বহ্নি আঁচ। অধরা ছন্দ চোরাস্রোত হয়ে নীরবে নিভৃতে বয় কূলে বসে আমি দেখি তা তাকিয়ে হৃদয় বিষাদময়। প্রভাতী আলোয় অমলিন ভাবে বিভোর মননে স্মরি আঁধার রাতের গভীর প্রহরে আবাহনে ধ্যান করি। তবু থেকে যায় দূর বহু দূর দেয় না সে এসে ধরা আমার কবিতা শুধুই কাঁদায় কাটে না জীবনে খরা। কবিতা শরীরে অধরা মাধুরী লহরে লহর খেলে অনিমেষ বসে তাই দেখি শুধু পিয়াসী দু ' চোখ মেলে। পথ চলা যেন দোদুল দোলায় লতাবিতানের শাখা আদুরে গতরে বালিকা বধুটি কলকল মধুমাখা। আহা রে অমন একটি কবিতা যদি সে আমার হতো নিজ হাতে গড়ি আপন মননে স্বপ্ন যে ছিল কত। যা আছে আমার যতনের ধন সবটুকু দিয়ে তারে আদরে সোহাগে আপন খেয়ালে সাজাতাম কবিতারে। অভিমানী সে যে কোন অপরাধে আমাকে রেখেছে দূর জানি না কবিতা আছে সে কোথায় কোন সে অচিনপুর। সারাটি জীবনে জ্বেলেছি যে কত ব্যর্থ প্রদীপ শিখা হলো না তবুও মনের মতো যে একটি কবিতা লিখা।
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা