এমনিতে যুগোপযোগী হলেও ওই ইশারায় কথা বলা কিংবা ট্যা বলতেই ট্যাংরা বুঝে ফেলার মতো চতুর বা চৌকশ কোনোটাই নয় কৌশিক। উঁচু পদে চাকরিবাকরি করেছে নৈপুণ্যের সঙ্গে। মেধাবী বলেই সব মহলে পরিচিত যদিও নিজে এ ব্যাপারে আজীবন সন্দিহান। আর এই সন্দেহের প্রধান কারণ হল এটাই যে কবিতা মানে ওর বউয়ের চোখে যে ও একটা মধ্যমেধার মানুষ তা আকারে ইঙ্গিতে অনেকবারই বলেছে কবিতা। বন্ধু দেবজিত অবশ্য বলেছে বউরা নাকি এমনই। বউদের দৃষ্টিতে পৃথিবীর তাবৎ স্বামীরাই মধ্য কিংবা নিম্নমেধার। অতটা তলিয়ে দেখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি কৌশিক। কারণ এসব তুচ্ছ কথার পিছনে পড়ে থাকার কোনো কারণ খুঁজে পায়নি সে। বহু কাজ পড়ে রয়েছে অসমাপ্ত। জীবন থেমে নেই। দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে জীবিত থাকার বরাদ্দ দিনগুলো। জীবন সম্বন্ধেও কৌশিক বরাবরই উদাসীন। কিছুই যেখানে নিজের হাতের মুঠোয় নেই সেখানে পারিপার্শ্বিক ঘটনা দুর্ঘটনায় উদ্বেল কিংবা উচ্ছ্বসিত হয়ে কী লাভ ? যা হবার তা তো হবেই। যে কোনও মুহূর্তে এই পৃথিবী থেকে সড়কে যাওয়ার ক্ষেত্রে বয়স কোনও ফ্যাক্টরই নয়। মায়া, মমতা, হর্ষ-বিষাদ এসব বিষয়ে কৌশিক তাই অনেকটাই উদাসীন। প্রেম ভালোবাসার ক্ষেত্রেও এমনই। স...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা