পত্রিকাটি হাতে নিলেই কেমন একটা টান অনুভূত হয়। প্রথমত মানস ভট্টাচার্যের চমৎকার একটি অ্যাবস্ট্র্যাক্ট চিত্র সম্বলিত প্রচ্ছদ এবং প্রাসঙ্গিক নামলিপি। এরপর পাতা ওল্টালেই অনবদ্য একটি সম্পাদকীয় পৃষ্ঠা। আধাআধি ভাগ করে নেওয়া পৃষ্ঠার একদিকে রয়েছে আকর্ষণীয় এবং আবেদনময় সম্পাদকীয় যেখানে সম্পাদক শমীক চৌধুরী (রোমেল) সবটুকু বলে নিয়েছেন স্বল্প কথায়, গুছিয়ে। অপর অর্ধে পত্রিকার ছবি এবং একটি উদ্ধৃতি - “ইবারর সংখ্যাত আছে - নানান স্বাদের গল্প (ভূতের গল্পও আছে), ঘুরাফিরার গল্প, বিজ্ঞানর সূত্র লইয়া কেরামতির গল্প, জমাখরচ নিয়া নিবন্ধ, ছড়া আর কবিতা। আছে আমরার সবের প্রিয় ‘সাহায্যের হাত’ নিয়া অনুভবের কথা”। এ উদ্ধৃতি যেন মূল খাদ্যের আগের ক্ষুধাবর্ধক স্টার্টার (আচমন)। খাবার স্পৃহা বাড়িয়ে দেয়। সর্বভারতীয় সিলেটি ফোরামের ৫ম সংখ্যা পত্রিকা ‘জড়র টানে’ এবার শারদীয় সংখ্যা হিসেবে ছাপা হয়ে বেরোল পুজোর আগেই। ব্যতিক্রমী নিঃসন্দেহে - যেহেতু পুরোটাই সিলেটি আঞ্চলিক ভাষায় লিখিত। কোথাও ব্যত্যয় নেই। তা বলে শুধু যে ভাষা বৈচিত্রই সব কিছু এমন নয় মোটেও। গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, ভ্রমণ কাহিনি সব মিলিয়ে এক জমজমাট পত্রিকা। এগনো যাক সূচিপত্র অন...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা