মাস খানেক আগে সপরিবারে বেড়াতে গিয়েছিলাম কোহিমা। সেখানে একটি War Cemetery ( যুদ্ধ স্মারক স্থল) আছে। কোহিমা যুদ্ধের স্মৃতি ও যুদ্ধে শহিদ হওয়া সেনানীদের স্মৃতি সেখানে অত্যন্ত পরিপাটি করে রক্ষিত আছে সযতনে। হালকা বৃষ্টির মাঝেই ঘুরে ঘুরে দেখেছিলাম সব। দেখতে দেখতে মনটা খুবই বিষণ্ণ হয়ে উঠেছিল। কারণ প্রতিটি স্মারকের উপরে যে নামফলক আছে তাতে দেখতে পেলাম প্রত্যেক সেনানীর বয়সের পরিসর হচ্ছে ১৯ থেকে ২২। অর্থাৎ এই বয়সেই ওরা শহিদ হয়েছিল। কে কার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল সেটি এখানে মুখ্য কথা নয়। মূল কথা হলো এই যে উঠতি যৌবনে এতগুলো প্রাণ ঝরে গেল অকালে সেই কথাটি ভেবেই ভেতরে এক অবর্ণনীয় দুঃখ এসে আমাকে যেন বেঁধে ফেলেছিল আষ্টেপৃষ্ঠে। তলিয়ে গিয়েছিলাম ভাবনার অতলে। সুদূর ইউরোপ থেকে এসে অখ্যাত এই উত্তর পূর্বের গভীর অরণ্যে এরা মৃত্যুবরণ করেছিল নীরবে নিভৃতে। সারাটি জীবনের সব স্বপ্নই ওদের রয়ে গেল অধরা। ওদের পরিবারের লোকজনও হয়তো সেই নিদারুণ খবরটি পেতে লেগে গিয়েছিল দীর্ঘদিন। জীবন তো ফুরিয়ে গেল অজান্তে , অসময়ে। হয়তো কত স্বপ্ন ছিল ওদের জীবন নিয়ে। জীবনের তিন মুখ্য ক্ষণ হলো জন্ম , মৃত্যু ও বিবাহ। জন্ম ও ম...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা