Skip to main content

Posts

Showing posts with the label প্রকাশিত - দৈনিক যুগশঙ্খ গুয়াহাটি

নাগাল্যাণ্ডের বাংলা সাহিত্য চর্চায় ‘একা কুম্ভ’ দেবাশিস দত্ত

নাগাল্যাণ্ডের বাংলা সাহিত্য চর্চায় ‘ একা কুম্ভ ’ দেবাশিস দত্ত সেই রবীন্দ্রনাথ , সেই নকল বুঁদিগড় আর সেই একা কুম্ভ । আজ যেন আমাদের খুব কাছে এমনি এক হুবহু পটভূমি। এক সেই বিশ্বকবিরই একনিষ্ঠ এক নীরব পূজারী, নকল বুঁদিগড়েরই মতো আমাদের প্রতিবেশী এক রাজ্য নাগাভূমি বা নাগাল্যাণ্ড আর সেই একা কুম্ভেরই মতো এই নাগাভূমির বাংলা চর্চার একমেবাদ্বিতীয়ম কবি, সাহিত্যিক, প্রবন্ধকার  শ্রী দেবাশিস দত্ত। ধর্মমূলক ছবির বদলে যাঁর বৈঠকখানার মূল বহির্গমন দরজার উপরে স্রোতের বিপরীতে সসম্মানে স্থান করে নিয়েছেন কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র - সাহিত্যে তাঁর আত্মোৎসর্গ সহজেই অনুমেয়। সাহিত্য চর্চার স্থান এই বৈঠকখানার বাকি দেয়াল অবধারিতভাবেই রবীন্দ্রময়। মুখোমুখি দুই দেয়ালে সরলরৈখিক অবস্থানে বিরাজিত আছেন সুকান্ত ও সত্যজিৎও। বলতে গেলে রবীন্দ্র ছায়ায় আচ্ছাদিত এই নিবেদিত প্রাণ সাহিত্যিক কী অসীম একাগ্রতায় যে সাহিত্যের এই অখ্যাত, নির্জন ভুবনে বসে রচনা করে চলেছেন অফুরন্ত সব প্রাণবন্ত সাহিত্য, গভীরে প্রবেশ না করলে তা বুঝার উপায় নেই। ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত নাগাল্যাণ্ড নামের এই রাজ্যে – বাংলা ও বাঙালি যেখানে স...

নিষিদ্ধ ভালোবাসা

নিষিদ্ধ ভালোবাসা তির্যক আলোর ছায়াপথ না মাড়িয়ে , চুমু খাওয়া দূরত্বে অবলোকন আর পর্যাবলোকনের পাকদণ্ডি পেরিয়ে - অবাক কালের সেই উপবেশন সাড়া জাগায় শোণিত ধারায়। অথচ নির্বিকার হৃদয় - চির নির্বাপিত আধেক বিশ্বে মন না জানা মননে , আনন্দ আহ্লাদে পোড়ায় শুধু নিষিদ্ধ ভালোবাসার অনুচ্চারিত অধ্যায় , নীরব ভাষার অপ্রকাশিত হাহাকার।

আকাশ মাটি

আকাশ - মাটি   আরোও একটু মিশে যেতে হবে মাটির সাথে - রণপা চড়ে সবাই চলতে পারে না । রূপোর চামচ মুখে নিয়ে ক্ষণজন্মার মাটিতে পা পড়ে না । আরোও কিছুটা পথ চলার বাকি আরোও একাগ্রতা , সংযত পদক্ষেপে এবার বশীকরণ মন্ত্র শেখার পালা । পথের পাশে চালা ঘরের একফালি বারান্দায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টি ধারায় মন খারাপের ঢল নামে । কারণবিহীন কান্না এসে ভেজায় দুচোখ । আকাশপানে যেতে যেতে খুঁজে নিতে হবে পায়ের তলায় - আরোও খানিকটা শক্ত মাটি ।

ভূমিপুত্র ভূমিকন্যা

ভূমিপুত্র ভূমিকন্যা   ভূমির এপার ভুমির ওপার মধ্যি খানে নদী খেয়ার ওপর খেয়োখেয়ি যাত্রী গাদাগাদি ।   এপার ওপার আসা যাওয়া অনাদি অনন্ত শস্য শ্যামল , অপার সুখ এপ্রান্ত ওপ্রান্ত ।   কোথাকার জল কোথায় যায় কেউ তা জানে না রাজার নীতি অদলবদল করতে নেই তো মানা ।   উড়ে এসে জুড়ে বসে হল ভূমিপুত্র ছিল যাঁরা তাঁদের এবার খুঁজছে যোগসূত্র ।   আমার আঁচড় মৃত্তিকাতে তোমার মানচিত্রে সে আঁচড়ে বেঘর আমি বলো তো কোন সূত্রে ?   অ আ ক খ এক দুই তিন এই তো মোদের গর্ব ' মোদের আশা ' ' বাংলা ভাষা ' এই ভাষাতেই মরবো ।   এই গরবেই ছন্নছাড়া নকল ভূমিপুত্র দলবেঁধে তাই হাঁক পাড়ে - দাও তোমার যোগসূত্র ।   আমার সূত্র হাওয়ায় হাওয়ায় , আমার সূত্র ভূমিতে ডিঙিয়ে পাহাড় তোমার সূত্র এত গর্ব কিসেতে ?   সাগর নদী পাহাড় মাটি এখানেই মোর লিগাসি ডাটা ভাসে জলে হাওয়ায় পাট্টা আমার মৌরসি ।   অর্ধশতক আগের সূত্রে নাইবা বাঁধি ঘর ' তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ ' আমি হলাম পর ?   উজান ভাটি মিলে মিশে আজ তো এ...