পুজো এসে গেল ফের। পুজো মানে দুর্গা পূজা। সাত্ত্বিক ভাবে পূজার উৎপত্তি যদিও ক্রমে বড়লোকের পুজোয় রাজসিক ভাব চলে এল এবং যুগের তাগিদে তামসিকও। অর্থাৎ তিনটি ভাবের সংমিশ্রণে পুজো এখন আর শুধু পূজাতে সীমাবদ্ধ নয়। এর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে গেছে বহু দূর। রাজসিক ও তামসিক ভাব যুক্ত হওয়ায় পুজো এখন রূপান্তরিত হয়েছে উৎসবে। এই উৎসব এখন নয় শুরু হয়েছে বহুকাল আগে থেকেই। ইতিমধ্যে তা বাংলা তথা বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসব হিসেবে পরিগণিত ও মান্য হয়েছে। এবং তখন থেকেই সমাজে শুরু হয়েছে মিথ্যাচার ও তামসিকতার বাড়বাড়ন্ত। ধর্মনিরপেক্ষতার পরাকাষ্ঠা দেখাতে গিয়ে এক শ্রেণির স্বধর্মবিরোধী লোকেরা ছড়াতে শুরু করলেন এই বলে যে এটা পুজো নয় এটা উৎসব। বিশেষ এই শ্রেণির মানুষ যারা পূজাআচ্চা মানেন না তারা মরিয়া হয়ে এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে লাগলেন সমাজে। সেই থেকে আজ অবধি সাত্ত্বিকতার বড্ড অভাব বোধ হয় এই পূজায়। প্যান্ডেল, লাইটিং, মূর্তির উচ্চতা, সাজসজ্জায়, আড়ম্বরে যা খরচ হয় সম্ভবত তার অর্ধেকও খরচ হয় না সাত্ত্বিকতায়, আচারে, উপচারে। অথচ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় কত গভীর এই পূজাপর্ব। এখানে প্রাকপূজার কিছু নিয়মনীতি নিয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে এই আলোচনা। ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা