মূল অসমিয়া গল্প - ব্যথা রুমী লস্কর বরা অনুবাদ - বিদ্যুৎ চক্রবর্তী । অটো থেকে পলাশী নামল । ‘ ডাইরেক্টর অব সেকেণ্ডারি বোর্ড ’ বলে লেখা সাইনবোর্ডটির দিকে সে সঘনে চোখ ঘুরিয়ে দেখল । সঠিক এড্রেসে এসে নেমেছে যেন লাগলেও কিজানি কোথাও ভুল হতেও পারে । সেরকম একটা সন্দেহ এমন সময়ে এসে ই থাকে । তা র উপর স ব সময় আসা ঠাঁই হলে আলাদা কথা । এই অফিস বা এই জায়গাটিতে আগে পলাশী আসেওনি । আগে পলাশী স্কুল - কলেজের পরীক্ষাগুলো দিতে গেলে ও এমন হতো । ঠিকঠাক পরীক্ষার রুটিনখানা লিখে আনা সত্ত্বেও প্রথম পরীক্ষাটি দিয়ে উঠে আবার সঙ্গের দু ’ তিনজনকে জিজ্ঞেস করে । পরের পরীক্ষা অমুক তারিখে না , অমুক বিষয়টিই তো আছে সেদিন ? কিজানি সে কোথাও ভুল করতেও পারে । এসব ক্ষেত্রে নিজে যতই শুদ্ধ বলে ভাবে না কেন , নিজে শুদ্ধ বলে ভাবাটিও নির্ভরযোগ্য কি না , আরো দশজনের সঙ্গে মিলিয়ে প্রমাণ দেখতে চায় । কোনওবারই পলাশী এভাবে একা ইন্টারভিউ দিতে আসেনি । প্রতিবারই রঞ্জন তার সাথে থাকে । টি ডি সি ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে বিয়ে হওয়া পলাশী অতি কষ্টে ঘরেই পড়ে এম এ ডিগ্রীটি নিয়েছিল। তার ডিগ্রীটি যোগ্যতা থাকা বলে বুঝানো শিক্ষক পোস্ট...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা