অশ্রু উৎসব মোট আটখানা জামা পেল , তাই পুজোয় সুমি আহ্লাদে আটখানা । উৎসবের আর দিন তো বাকি নেই খুশিতে ডগমগ - আকাশে মেঘ হয়ে উড়ে যেতে চায় চোখের পলকে । নাগরিক জীবনের ব্যস্ত পরিসর , নিত্য চলে কেনাকাটার আনন্দ বন্টন । হিসেব চলে আটটি জামার - চুলচেরা পাঁচটি হয়েছে কেনা , বাকি আছে তিনটে । পাঁচটি থেকে তিনটে এসেছে ঘরে দর্জিকাকুর দোকান ঘরে দুটি এখনো । মামা মাসি বড়দা পিসি দিদা কাকি সবাই দিল নতুন জামা - অপার সুখী সুমি । সবার শেষে বাবাও দেখি বললো মা ' কে - সুমির জন্য একটি জামা এনো । মাঝে মাঝেই গুণতে বসে খেই হারিয়ে ভুলেই বসে - কে যে দিল কী , কোনটি বা যে সবচাইতে সুন্দর বেশি । উপরতলার চুমকি দিদির মোট ছ ' খানা , গুড়িয়া , তুলি - সবার আটের কম । কাল রাতে শেষমেষ সবকিছু কেনা হলো ঘরে এসে সাজিয়ে রাখে সবগুলো । আনন্দে তাই মাঝেমাঝেই নেড়েচেড়ে , উল্টেপাল্টে জামাগুলোই দেখে । গেল বছর বাবার জামা ছিল সব চে ' দামী এবার হয়তো মামার কিম্বা হবে অন্যটি । আসছে পুজো ভাসছে সুমি আনন্দে থরে থরে জমছে জামার বাহার । দূরে - আড়াল থেকে ছানাবড়া চোখে তাকায় টুসি - কাজের মাসির...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা