A4 সাইজের পত্রিকাগুলোর পৃষ্ঠাসংখ্যা কম হলেও নিজেদের বুকে ধরে রাখে লেখালেখির বিশাল সম্ভার । তবু পঠনবান্ধব নয় মোটেও । বস্তুত পাঠকালীন সময়ে ম্যাগাজিনটিকে সামলে রাখতে গিয়ে দস্তুর মতো কসরত করতে হয় বইকী । ত্রিপুরা থেকে সমকালে প্রকাশিত সময়াতনিক দুটি পত্রিকা আলোচনার টেবিলে উঠে আসে এইটুকু সাদৃশ্যের খাতিরে । শারদ পর্যায় ২০২৫ ( সার্বিক ২৬তম বর্ষ , ২৭তম সংখ্যা ) - পত্রিকা ‘ প্রবাহ ’, সম্পাদক জহর দেবনাথ এবং উত্তর বাধার ঘাট , আগরতলা থেকে প্রকাশিত ‘ আলোক বিন্দু ’ র প্রথম সংখ্যা । সম্পাদক রাখী রানী দাশদেব । প্রবাহ ধারাবাহিকতা মেনে মহালয়ার পুণ্য লগ্নে ধলাই থেকে প্রকাশিত হয়েছে ৫৮ পৃষ্ঠার পত্রিকা । প্রকাশের ধারাবাহিকতা এবং লেখালেখির মান অক্ষুণ্ণ রয়েছে যথারীতি । প্রথম পৃষ্ঠায় যথার্থ গরজে উৎসর্গ স্বরূপ সদ্যপ্রয়াত কবি , সাহিত্যিক জ্যোতির্ময় রায়ের স্মৃতিতে রয়েছে দুটি কবিতা । লিখেছেন নিশীথ রঞ্জন পাল এবং সম্পাদক জহর দেবনাথ । এবং এই পৃষ্ঠার প্রথম কবিতার শিরোনাম থেকেই শুরু হয়েছে বানান বিভ্রাট যা অক্ষুণ্ণ রয়েছে আদ্যোপান্ত , এমনকী রচনার শিরোনামেও । বস্তুত এই একটি বিভ্রাটের বাইরে আস্ত ম্যাগ...
ত্রিপুরার সমস্থানিক দুটি লিটল ম্যাগাজিন যদিও প্রকাশের ধারাবাহিকতায় একেবারেই ভিন্ন। ২০২৫-এর শেষ তৃতীয়াংশে প্রকাশিত ‘বহ্নিশিখা’ (শারদ উৎসব সংখ্যা, ৩৫তম বর্ষ) এবং ‘ঐতিহ্য’ (প্রথম সংখ্যা) প্রকাশিত হয়েছে যথাক্রমে উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগর থেকে নিভা চৌধুরী এবং ধলাই জেলার কমলপুর থেকে প্রবোধ চন্দ্র দাসের সম্পাদনায়। স্বভাবতই সম্ভার, উৎকর্ষ ও সম্পাদনায় বৈপরীত্য থাকলেও আলোচনার টেবিলে জায়গা করে নিয়েছে গরজ ও ভৌগোলিক নৈকট্যের নিরিখে। বহ্নিশিখা ‘ সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিষয়ক ত্রৈমাসিক ’ এই পত্রিকার প্রতিটি সংখ্যার এক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রচ্ছদ। ব্যত্যয় ঘটেনি আলোচ্য সংখ্যায়ও। প্রাসঙ্গিকতায়, চিত্রে, বর্ণে যথারীতি চিত্তাকর্ষক যদিও আলোচ্য সংখ্যায় প্রচ্ছদকারের নাম অনুল্লেখিত । ১ / ৪ ক্রাউন সাইজের সাকুল্যে ২৯ পৃষ্ঠার এই সংখ্যাটি আবার সম্ভারে পরিপূর্ণ । কাব্যিক উৎসর্গ করা হয়েছে অসম তথা উত্তরপূর্বের ‘ গণকবি ’ বিপুল কুমার দত্তের উদ্দেশে । নি : সন্দেহে এক ব্যতিক্রমী উৎসর্গ । শক্তিপূজা ও দুর্গোৎসব নিয়ে এক পৃষ্ঠার সম্পাদকীয়র আগে দুই পৃষ্ঠাব্যাপী সূচিপত্রে রয়েছে গদ্য - পদ্যের বাহার যদিও ব...