এক শীতের তীব্র ঠান্ডার মধ্যেই হঠাৎ করে নির্দেশ এল পার্শ্ববর্তী রাজ্য নাগাল্যাণ্ডের এক অপরিচিত, অখ্যাত জায়গায় যাওয়ার। রাজ্য তথা এই দেশের একেবারে পূর্বসীমান্তে মায়ান্মার সংলগ্ন নতুন জেলা নকলাক-এর সদর নকলাক শহর। তখন কর্মরত ছিলাম ওই রাজ্যেরই ডিমাপুরে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিষ্ঠান। স্বভাবতই দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা সব সহকর্মীরা। পদমর্যাদায় সিনিয়র মি: ধরচৌধুরী তাঁদেরই একজন যিনি হলেন আমার সফরসঙ্গী। কিংবা বলা ভালো আমি তার। ধরচৌধুরীর মূল বাড়ি কলকাতায়। আমুদে, আন্তরিক মানুষ। গুনগুনিয়ে গাইতে ভালোবাসেন। আমরা দুজনেই সদ্য যৌবনোত্তীর্ণ। বয়সে, মানসিকভাবে হয়তো নয় তখনও। সফরসূচি তৈরি হল ডিমাপুর থেকেই। ড্রাইভার সহ আমরা মোট পাঁচজন। নকলাক ডিমাপুর থেকে প্রায় সাড়ে তিনশো কি:মি: দূর। যেতে অন্তত পনেরো ঘণ্টা। পাহাড়ি পথে এক দিনে এতটা পথ অতিক্রম করা সম্ভব নয়। তাই ভেঙে ভেঙেই পাড়ি দিতে হবে পথ। প্রথম গন্তব্য মাঝামাঝি দূরত্বের আরেক সমৃদ্ধ জেলা সদর মোককচঙ। সেখানেই প্রথম রাত্রিযাপন। ধরচৌধুরীর বাইরেও আমার সঙ্গে আছেন আরও দুজন সহকর্মী। সহায়িকা হিসেবে সোশিয়াল সার্ভে অ্যাসিস্টান্ট মিস রংমেই এবং আলো। আমি ও ...
‘… প্রকৃতির ছন্দকে আবিষ্কার করেন কবি , প্রকাশ করেন ভাষায় । তবে বয়নশিল্পীর ন্যায় কারুকার্য , রসগাথা , ভাব - অনুভূতি সহ নানা প্রকার শব্দালংকার প্রয়োগ করে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণই লক্ষ্য থাকা উচিত । ’… যথাযথ লিখেছেন প্রবন্ধকার সন্তোষ কুমার দত্ত । কবির কবিতা - তা সে যতই শব্দভূষিত হোক না কেন কাব্যিকতাই কবিতার শেষ কথা এ অনস্বীকার্য যদিও অধুনা এই দিকটিতে অধিকাংশ কবি , বিশেষ করে নবীনরা খানিক উদাসীন বটে । বলতে দ্বিধা নেই এর অন্তর্নিহিত কারণ মূলত বোধজনিত অস্পষ্টতা । ‘ বিশ্বমানবতায় কবিতার অবদান ভারত থেকেই শুরু হয়েছিল ’ শীর্ষক এই একটিমাত্র প্রবন্ধই স্থান পেয়েছে শ্রীভূমি থেকে প্রকাশিত ‘ স্বরিত ’ পত্রিকার ১৮তম সংখ্যায় । প্রবন্ধের মাঝখানটায় কিছু সময় ধান ভানতে শিবের গীত থাকলেও ( লেখক নিজেও তা স্বীকার করেছেন ) একটি গোছানো প্রবন্ধ নি : সন্দেহে । ক্রৌঞ্চমিথুনের আদি শ্লোক নিয়েই মূলত এই প্রবন্ধ । এছাড়াও ১০০ পৃষ্ঠার পেপারব্যাক বাঁধাইযুক্ত পত্রিকার গদ্য বিভাগে রয়েছে তিনটি অণুগল্প । মধ্যবিত্তের ঘরে কাজের মাসিদের অপরিহার্যতা প্রশ্নাতীত । তাঁদের নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে সাহিত্যবিশ্বে বহু গল্প লেখা হয়েছে । ব...