ভিতরে যিনি বসে রয়েছেন তিনিই কি তাহলে ঈশ্বর? এমন একটা প্রশ্ন এই মুহূর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে প্রভাসের মাথায়। ঈশ্বরকে সে দেখেনি কোনোদিন। যাঁকে চোখে দেখেনি তাঁর কথা শুনে তাঁকে ভালোবাসতে কিংবা বিশ্বাস করার মতো এতটা বোকা কিংবা অন্ধ ভাবার মতো ছেলে নয় প্রভাস। বাবা ছিলেন মনে প্রাণে কম্যুনিস্ট। তাই বাস্তববাদী শিক্ষায় প্রভাস যথেষ্ট শিক্ষিত। অন্তত প্রভাস নিজে এমনটাই ভাবে। মাঝে মাঝে মায়ের ঈশ্বর বিশ্বাসের কথা সে শুনেছে বটে তবে এসবে কখনও পাত্তা দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে ভাবেনি বাপ-ব্যাটার কেউই। নিজেকে ধীরে ধীরে সংসারে মানিয়ে নিলেও প্রভাস যখন ছোট ছিল তখন প্রতিমা কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন ছেলের ভিতরে ভক্তিভাবের সঞ্চার করতে। কিন্তু সুকান্তবাবুর রক্তচক্ষুকে অবজ্ঞা করার মতো এতটা সাহস তিনি সঞ্চয় করে উঠতে পারেননি বলে অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়েছিল সেই প্রচেষ্টা। এর পর থেকে স্বাভাবিক ছন্দেই বেড়ে উঠেছে প্রভাস, স্বাভাবিক নিয়মেই গড়ে উঠেছে সংসার - কোনও অদেখা ঈশ্বরের বিধানে বা নির্ঘণ্টে নয়। ### ডা. নীলকণ্ঠ চক্রবর্তী শহরের নামি শল্যচিকিৎসক। এনকেসি স্যার নামেই সবার কাছে পরিচিত। লোকমুখে শোনা যায় রোগীর শরীরের এমন কোন অঙ্গ ...
দীর্ঘ যাপনের অভিজ্ঞতাপ্রসূত অনুভবকে পাথেয় করে ত্রিপুরা রাজ্যের কবিতা উপত্যকার অংশ বলে কথিত উত্তর ত্রিপুরার কবি, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুজিত দেব এক স্বতন্ত্র পরিচিতি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন রাজ্য ও এতদঞ্চলের কাব্যভুবনে। সাহিত্যচর্চায় রয়েছেন দীর্ঘ চার দশক জুড়ে। স্বভাবতই তাঁর মানসপ্রসূত সৃষ্ট কবিতার গভীরতাও পুষ্ট হয়েছে তাঁর ব্যক্তিমানুষের যাপনছন্দে। সম্প্রতি হাতে এসেছে তাঁর একক কাব্যগ্রন্থ - ‘দাদা বাড়ি আছো?’ গ্রন্থনামের আপাতপাঠে শক্তি চট্টোপাধ্যায় মানসপটে জেগে উঠলেও কবি সুজিত দেবের স্বাতন্ত্র্য তার কবিতার ভেতরেই সহজগম্য, কবিতার মতোই সহজবোধ্য। গ্রন্থে উল্লেখ করা মতো দেখা যাচ্ছে এটি কবির দ্বিতীয় একক কাব্যগ্রন্থ। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘যদি কেউ ফিরে চায়’-এর পর আলোচ্য গ্রন্থের বাইরে আর কোনও একক কাব্যগ্রন্থ না থাকলেও রয়েছে মোট ১৪টি যৌথ কাব্য সংকলন। সিঙ্গল জ্যাকেটে ৮৪ পৃষ্ঠার পাকা বাঁধাই গ্রন্থটির ৭৬ পৃষ্ঠা জুড়ে রয়েছে মোট ৭৯টি কবিতা। শেষ প্রচ্ছদে কবির সচিত্র পরিচিতি থাকলেও ব্লার্বগুলো খালি রেখে আলাদা করে ‘আমার কথা’ শিরোনামে প্রথমেই পৃষ্ঠাজোড়া রয়েছে প্রকাশকের কথা। লিখেছেন ঝাড়খণ্ডের ‘সুতপা’ সাহিত্য গোষ্ঠ...