আজকের দিনে ভারতের জাতীয় সংগীত কোনটি এ নিয়ে কারও কারও মনে একটি ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এতদিন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘জনগণমন অধিনায়ক...’ গানটিকেই জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়া ও মানা হতো। অপর দিকে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বন্দে মাতরম্...’ গানটিকে জাতীয় গান বা স্তোত্র হিসেবে মানা হতো। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদিতে শেষোক্ত গানটিকে অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করায় এমন ধোঁয়াশার সৃষ্টি হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। তবে প্রথমেই সন্দেহের নিরসন করতে বলে নেওয়া ভালো যে পরিস্থিতি একই আছে। উভয় গানই পূর্ববৎ বহাল আছে। বর্তমানে ‘বন্দে মাতরম্...’ গানটি নিয়ে কিছু বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ইসলাম ধর্মাবলম্বী জনগন এই গানে দেবদেবীর বন্দনা থাকায় এটা গাইতে তাঁদের আপত্তি জানিয়েছেন। এ নিয়ে দেশভর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে এ অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু ব্যাপার হচ্ছে গানটির প্রথম তিন স্তবক কিন্তু শুধুই দেশজননীর বন্দনা। এবার কেউ কেউ বলছেন দেশকেও মা হিসেবে বন্দনা নাকি ইসলাম বিরোধী। দেশকেও তাই বন্দে মাতরম্ বলা যাবে না। এখানেই সমস্যা। এখানে ধর্মের বেড়াজাল থেকে সবাইকে...
একটি লিটল ম্যাগাজিন বা ছোটপত্রিকা হচ্ছে সমাজের সাহিত্যদর্পণ । শুধুই সমকালিক নয়। যুগান্তরের ভাষাসাহিত্য ও তার যুগন্ধর স্রষ্টাদের সঙ্গে সমকালকে পরিচিত করে দেওয়ার এক প্রতিষ্ঠিত মাধ্যম। আর একের পর এক এই লক্ষ্যেই উৎকৃষ্টতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে নিরন্তর কাজ করে চলেছে বরাক উপত্যকার হাইলাকান্দি শহর থেকে প্রকাশিত ‘ সাহিত্য শিল্প ও সংস্কৃতি বিষয়ক ’ পত্রিকা ‘ আলোহাওয়া ’ । রজতজয়ন্তী বর্ষে প্রকাশিত হয়েছে এই পত্রিকার ১৯তম সংখ্যা - ২৫তম বর্ষ , পৌষ ১৪৩২ - ডিসেম্বর ২০২৫ সংখ্যা । কবি জিতেন্দ্র নাথ সম্পাদিত এই সংখ্যাটি প্রকাশিত হয়েছে সাহিত্যিক ‘ তুষারকান্তি নাথ স্মরণ সংখ্যা ’ হিসেবে । তুষারকান্তি নাথ এমন একজন সাহিত্যিক যাঁকে আখ্যায়িত করা যায় একজন সার্বিক সাহিত্যিক হিসেবে। ধারে ও ভারে তাঁর সৃষ্টি শুধু বরাক উপত্যকাতেই নয় এর বাইরেও সমাদৃত। তাঁর লেখনী রত্নপ্রসবা। পক্ষান্তরে এটাও বলা যায় যে ঘরে বাইরে কিছু স্বীকৃতি , কিছু প্রতিষ্ঠা পেয়ে থাকলেও তাঁর লেখালেখি ও নানাবিধ সৃষ্টিকর্মের গভীরতার মূল্যায়ন যতটা হওয়ার প্রয়োজন ছিল ততটা কিন্তু হয়নি। আসলে প্রান্তিকতা সততই লেখক, কবি, সাহিত্যিকদের পরিচিতির পথে এক বৃহৎ অন্তরা...