আজ সারাটি দিন কী ধকলটাই না গেল। সকাল থেকে শুধু ছুটোছুটি আর অগুনতি সব নপুংসক মুহূর্ত। আমার কালো খাতায় বাঁধিয়ে রাখার মতো সব অন্তরঙ্গ কাহিনি। মেয়েটা ঘরে নেই। মায়ের সাথে মামাবাড়ি। আমার অলস বেলার গড়িমসি। ভাবলুম অবসরে কবিতা লিখি জম্পেশ। বসে গেলুম ঘটা করে। কাগজ-কলম-অভিধান, বাদাম। বসে বসে ধ্যান করে ইস্তক ভেবে ভেবেও দু’ছত্র মেলাতে পারলুম না। ধুস্, উঠে পড়ি। পেটে কিছু পড়লে হয়তো......। বেরিয়ে সোজা নস্যি মহাজনের চাউমিনের দোকান। বিস্বাদ ... তাই গিলে অফিসমুখো হয়েছি অমনি দুর্ঘটনা। আমার দ্বিচক্রযানের আলতো চুমোয় আহত এক অচেনা পথিক। উত্তেজিত জনতাকে সামলাতে হিমসিম। শেষটায় বলতেই হলো - আমি পুলিশে চাকরি করি। মিথ্যে কথা। বলতেই হয়, না হলে মার খেতে হয়। গুটি গুটি পায়ে কেমন যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেল গরজের সাথিরা। মুক্তি পেয়ে চলে গেলুম অফিসে। ছুটি মেরে বেরিয়ে এলুম রাস্তায়। কোথায় যাব ? সিনেমা হল ? বোরিং...। ঘরে গিয়ে ছোটগল্প লিখব ? দারুণ কিছু প্লট এসেছে কাল। ভাই সুমন বিয়ে করেছে। আনোখা শাদি। হপ্তাখানেকের প্রেম - ভীতু সুমনও প্রেম করে ? মেয়েটি নাকি সুমনকে বলেছিল - তুমি পুরুষ হয়েও ভয় পাও ? আঁতে লেগেছিল। ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা