সাহিত্যের আঙিনায় কবি-লেখকদের দুটি সম্প্রদায়ে স্পষ্ট বিভাজন বিদ্যমান। আদ্যিকাল থেকেই। প্রবীণ ও নবীন। নবীনের সাহিত্যকর্ম স্বভাবতই তুলনামূলকভাবে অপরিণত ও কাঁচা। তাই সাধারণত এরা বিদ্যাজীবীদের কাছে অপাংক্তেয়। তবে যতটা না প্রয়োজন, প্রকৃতপক্ষে এরা অদৃষ্টদোষে তার চাইতেও বেশি নিন্দার্হ। একটি ব্যাপারে দ্বিমত হওয়ার উপায় নেই। তা হচ্ছে নবীন ও উঠতি কবি-লেখকদের লেখনী থেকেও মাঝেমধ্যে পরিণত ও উৎকৃষ্ট সাহিত্য বেরিয়ে আসে। কিন্তু সেসব ক্ষেত্রেও বইতরণি পার হওয়া এদের পক্ষে বড্ড কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। নবীনদের দাবিয়ে রাখার এক প্রবণতা সব সময়ই প্রবীণ ও প্রতিষ্ঠিতদের মধ্যে দেখা যায়। নাম-যশ, প্রতিপত্তি এবং জীবিকাসর্বস্ব ঈর্ষাও এর পিছনে মদত জোগায়। পাঠকবর্গের মধ্যে নবীন-বিরোধী এক ধারণা গড়ে তোলে এঁরা নিজেদের পায়ের তলার জমি শক্ত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যান অহরহ। অথচ তথাকথিত উঁচুদরের কবি-লেখকদের কলম থেকে মাঝে মাঝে এমন সব বিকৃত শব্দাবলি সমন্বিত সাহিত্য-কর্ম সৃষ্টি হয় যা কোনভাবেই প্রকৃত সাহিত্য পদবাচ্য হতে পারে না। তথাপি নামের জেরে আর প্রতিপত্তির জোরে সেসব অত্যন্ত সাড়ম্বরে প্রকাশ হয় ছাপার অক্ষরে। অর্থাৎ মোক্ষম কথা যা - তা হল প্...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা