শেশেষ দুপুরের যাত্রী তরী তৈরি হয়েই আছে আয়েসী কুসুম দিদার পাশেই বসে। মন গগনে সফর শুরুর আনন্দ গান আদিগন্ত জলে জলে বিস্ময় অফুরান। একটি জীবন একান্তই দায়সারা এক দায় একটি কুসুম পাপড়ি মেলার অপেক্ষায়। সেই শেষ দুপুরের অবাধ ইচ্ছেডানা মেলেছিল তার পাখা, যতদূর যায় দেখা। তরী বেয়ে একটি বিকেল শেষে মামাবাড়ি উঠবে গিয়ে হেসে খেলে। আনন্দ আর বাধ মানে না তার শুধু কি তার ? এ আনন্দ তরীর সবাকার। গরিব ঘরের যাত্রী সবাই চলে আনন্দপুর নাই বা থাকুক সাধ্য - সাধ আছে তো ভরপুর। সূর্য তখন শেষ আকাশে ডুবু ডুবু পাটে ক্রমশঃ হলুদ - সোনালী - লাল সাঁঝে। হিজল ছায়া ম্লান হয়ে যায় চলে খানিক আগেই সব ছিল চোখে চোখে। আচমকা কোন দূর দিগন্ত ছেয়ে মেঘলা হাওয়ায় ঢেউগুলি আসে ধেয়ে। পানসি তরী খেই হারিয়ে দোলে বিষমে যাত্রীরা সব ইষ্ট জপে হাহাকারে। ভীত কুসুম দিদার কাছে ছুটে যায় দু'হাত বাড়িয়ে দিদাও আজ অসহায়। লহর নিনাদ ছাপিয়ে যায় রব সামাল সামাল অসহায় মাঝি, যাত্রী সবাই তরীটি টালমাটাল। অতল জলে ডুবিয়ে তরী বিধাতা হন ক্ষান্ত অস্ফুটে হয় দিদাআআআ শব্দে একটি জীবনান্ত। হারিয়ে গেছে কুসুমকলি সাথে নিয়ে সব হাসি হারিয়ে গেছে বিলের জলে ছোট...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা