‘দণ্ডবৎ মাতা’ - দণ্ডবৎ সঞ্জয় রাত্রি জ্বলছে , জ্বলুক। রাত্রির আগুনে পুড়ে যাচ্ছে মুখ, যাক। মানবপুত্র, মানবীকন্যা আমরা কোনো করুণা না, সৃষ্টিভিক্ষা না ধরিত্রীপুত্র, ধরিত্রীকন্যা আমরা কোথাও যাব না না অন্ধকারমুখরিত দেশ যদিও সে আমাদের, আমাদের, আমাদের। দেশ অন্ধকারমুখরিত, তবু সে আমাদের। আমরাই ধরিত্রীপুত্র, ধরিত্রীকন্যা। স্পষ্ট কথায়, শব্দের পুনঃপুনঃ উচ্চারণে এমন কাব্যিক প্রত্যয় জাগিয়ে তোলার ক্ষমতা ক’জন কবির আছে ? সঞ্জয়ের আছে। কবি সঞ্জয় চক্রবর্তী - উত্তর পূর্বের কবিতা বিশ্বের সুপরিচিত মুখ। এবং প্রায় প্রতিটি কবিতায় তাঁর শব্দে, অলঙ্কারে, রূপকে ফুটে ওঠে এই ভূখণ্ডের গর্বিত সত্ত্বার প্রকাশ। অবিভক্ত ভারত, দেশভাগ শেষে, উত্তর পূর্বের মাটি ও মানুষের সাহচর্যে কবির চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। অবিভক্ত বাংলার জল মাটি, বরাক - ব্রহ্মপুত্র - পাহাড়ের অনাবিল মোহ তাঁর কবিতার সম্পদ। আলাদা করিয়ে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কোন মানে থাকতে পারে না। ফেব্রুয়ারি ২০১৯ এ প্রকাশিত হয় তাঁর ৬৪ পাতার সপ্তম কাব্যগ্রন্থ - ‘দণ্ডবৎ মাতা’। আছে মোট পাঁচটি কবিতা। ৯ থেকে ১৮ পৃষ্ঠাজোড়া কবিতা। প্রতিটি কবিতার পরতে পরতে আছে বিস্ময়, ছড়িয়ে ছ...
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা