সেই এক পাগলপারা
সান্ধ্য ছায়ার শুভ্র ছটা,
আপাদকণ্ঠ শ্বেতবসনার
ঘুরন্ত কপোত আবাহনে
দীর্ঘ খেলানো মুহূর্তগুলির আচ্ছন্নতা বয়ে
শৈত-শিহরণে ঝরো ঝরো অঝোর স্বেদবিন্দু।
কপোল বেয়ে অবাধ্য চুলের শাসন মেনেছে কেউ ?
অসহ্য শ্বসন
যন্ত্রণায় পুড়ে খাক এ জীবন
কে দিয়েছে দিব্যি সেই স্বর্গ-সুষমা যাপনে ?
তিল তিল দহনে
দগ্ধ যাপন
শেষ দহনেও হবে কি শেষ ? এমন দহন
পোড়ায় যাপন, পোড়ায় জীবন, পোড়ায় আজীবন
জলজ বেহাগ, গগনবিদারী মেঘমল্লার
সব ফিরে গেছে
হেরো পথ ধরে স্তব্ধ আস্তানায়।
ললিত সন্ধ্যা জুড়ে তাই রোজ বাজে ইমন
বসে সান্ধ্য আসর, পেয়ালায় ঝড় তোলে সুধাময়ী
রাত গভীর হয়, ঘুম আসে চোখে মন্দ্রসপ্তকে
দ্রিমিদ্রিমি
বাজে গভীর রাতের দরবারী কানাড়া…
আবারও নতুন
ভোর, ভাঙে পারাবত আড়মোড়া।
দীর্ঘ খেলানো মুহূর্তগুলির আচ্ছন্নতা বয়ে
শৈত-শিহরণে ঝরো ঝরো অঝোর স্বেদবিন্দু।
কপোল বেয়ে অবাধ্য চুলের শাসন মেনেছে কেউ ?
কে দিয়েছে দিব্যি সেই স্বর্গ-সুষমা যাপনে ?
শেষ দহনেও হবে কি শেষ ? এমন দহন
ললিত সন্ধ্যা জুড়ে তাই রোজ বাজে ইমন
বসে সান্ধ্য আসর, পেয়ালায় ঝড় তোলে সুধাময়ী
Comments
Post a Comment