প্রিয় তমোময়
শুনেছি তুই নাকি কবিতা লিখিস এখন ?
বেশ তো। তবে একটু রয়ে সয়ে লিখিস শুধু।
ভাবিস না কবি হলেই সাতখুন মাফ।
তুই রাস্তায় দাঁড়িয়ে সহস্র জনতার
ভাবাবেগে নুন ছিটিয়ে বাহবা কুড়োবি,
তুই কবিতার নামে ফতুয়া দাড়িতে
সং সেজে ঘুরে ফিরবি,
মারপিট আর ঝগড়া বিবাদে
ধরাকে সরা ভাববি,
অমানুষ ভেবে মানুষকে দুঃখ দিবি ?
ভাবিস না তমোময়
তুই কবিতার নামে বস্তা পচা গদ্য লিখে
আত্মম্ভরিতা ও স্তাবকতায় মত্ত হবি আর
পাঠকের তা গিলতে হবে।
পাঠককে বোকা ভাবার মতো ভুল
করিস না তমোময়।
পাঠক আর কবিতা আসরের আয়োজক
এক কথা নয়, যারা এই স্খলনের পরেও
তোকে আমন্ত্রণ করে মঞ্চে ওঠাবে।
ভুলিস না তমোময়
কবি কিংবা কবিতাই শেষ কথা নয়,
সবার উপরে মানুষ সত্য
তার বেশি কেউ নয়।
সম্প্রতি গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক খগেনচন্দ্র দাসের আহ্বানে গুয়াহাটি, লালগণেশ অঞ্চলের শান্তিনগরে অবস্থিত পূর্বাশা বিদ্যানিকেতনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়েছিলেন মহানগরের বিদ্বৎসমাজের একাধিক ব্যক্তি। আলোচনার বিষয় ছিল ‘বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মের অবস্থান ও প্রয়োজনীয়তা’। সভায় সাহিত্য, সংস্কৃতি জগতের সঙ্গে জড়িত বহু ব্যক্তির বাইরেও উপস্থিত ছিলেন সুশীল সমাজের একাধিক গুণীজন। এদিন এই সান্ধ্যসভায় আহ্বায়কের বাইরে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা হলেন - বিজয় ভূষণ দে, সিদ্ধার্থ কুমার দত্ত, মনতোষ চন্দ্র দাস, নির্মল চন্দ্র দাস, পীযূষ দেব, শংকর পণ্ডিত, অসিত কুমার সরকার, শাশ্বতী চৌধুরী, ঋতা চন্দ, সুচরিতা সান্যাল, রবিশংকর দত্ত, তাপসী চৌধুরী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, মধুমিতা দত্ত, মীনাক্ষী চক্রবর্তী, রুদ্রাণী দত্ত, বীণা রায়, মুক্তা সরকার, অনুরাধা দাস পাত্র, জয়া নাথ ও স্বর্ণালি চৌধুরী। মূল প্রসঙ্গের ধারাবাহিক আলোচনায় উঠে এসেছে একাধিক প্রসঙ্গ - আজকের দিনে ঋষি অরবিন্দের ভাবনার প্রয়োজনীয়তা, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের মানবিক দিক, হিন্দু সমাজে গুরুবাদ ও বিভেদ, ডিপস্টেটে...
Comments
Post a Comment