Skip to main content

বরাকের বাংলা ও হিন্দি কবিতার পারস্পরিক অনুবাদ কবি অশোক বার্মার কাব্যকৃতি


কবি অশোক বার্মা। কবিতার সরণি বেয়ে নিরন্তর সৃষ্টিকর্মে নিমগ্ন এক সাধক কবি। অসম সরকারের সাহিত্য পেমশনপ্রাপ্ত এই কবির কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা প্রায় দুই কুড়ি। এর মধ্যে রয়েছে একক কাব্যগ্রন্থ, কবিতার সংকলন, সম্পাদনা গ্রন্থ এবং কাব্যনাটিকা। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর দুটি কাব্যগ্রন্থ। প্রথমে বরাক উপত্যকার কবিদের বাংলা কবিতার হিন্দি অনুবাদ গ্রন্থ এবং তারপর বরাকের হিন্দি কবিতার বাংলা অনুবাদ গ্রন্থ।
ক্রমানুসারে এগোলে প্রথমেই আসছে পেপারব্যাকে ২০৪ পৃষ্ঠার ‘হিন্দি মে অনূদিত্‌ বরাক ঘাটি কী বাংলা কবিতায়েঁ’ গ্রন্থটি। সূচিপত্র অনুযায়ী এক সুস্পষ্ট বিভাগ বিন্যাসে বিন্যস্ত হয়েছে কবিতাগুলি। প্রতিটি বিভাগে রয়েছে অনেকানেক কবির এক বা একাধিক কবিতা। শ্রীভূমি (করিমগঞ্জ)/বদরপুর বিভাগে রয়েছে যাঁদের কবিতা তাঁরা হলেন - পরমানন্দ সরস্বতী (মৃণাল কান্তি দাস), রসময় দাস, অতুলরঞ্জন দেব, মনোজিৎ দাস, জন্মজিৎ রায়, সরোজ বিশ্বাস, কিরণশংকর রায়, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, দিলীপ বিশ্বাস, দীপক হোমচৌধুরী, দিলীপকান্তি লস্কর, শান্তনু গঙ্গারিডি, মুজিব স্বদেশী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, নারায়ণ মোদক, বর্ণশ্রী বক্সী, অপর্ণা দেব, ফরিদা পরভীন ‘রুনি’, বনানী চৌধুরী, শংকর চক্রবর্তী ও তনুশ্রী ঘোষ। হাইলাকান্দি বিভাগে রয়েছেন কবি করুণাসিন্ধু দে, ত্রিদিবরঞ্জন মালাকার, শক্তিধর চৌধুরী, ব্রজেন্দ্রকুমার সিংহ, বিজিৎকুমার ভট্টাচার্য, হরনাথ চক্রবর্তী, বরুণকুমার সিংহ, নিশুতি মজুমদার, দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য, আবুল হুসেন মজুমদার, আশিসরঞ্জন নাথ, সুস্মিতা মজুমদার, মাশুক আহমেদ, জসীম উদ্দিন, জলাল উদ্দিন লস্কর, আশুতোষ দাস, ভক্তসিং ঠাকুরিয়া, তীর্থঙ্কর দাশ পুরকায়স্থ, কল্লোল চৌধুরী, সুশান্ত মোহন চট্টোপাধ্যায়, ঋতা চন্দ, শিপ্রা শর্মা মহন্ত ও রফি আহমেদ মজুমদার।
‘শিলচর (প্রবীণ)’ বিভাগে যাঁদের কবিতা সন্নিবিষ্ট হয়েছে তাঁরা হলেন - নগেন্দ্র চন্দ্র শ্যাম, অশোকবিজয় রাহা, সুধীর সেন, দেবেন্দ্র পালচৌধুরী, রামেন্দ্র দেশমুখ, প্রেমেন্দ্রমোহন গোস্বামী, করুণারঞ্জন ভট্টাচার্য, শোভন সোম, ভক্তমাধব চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায়, করুণাময় চক্রবর্তী ও পীযূষ রাউত। ‘শিলচর (অতন্দ্র)’ বিভাগে রয়েছেন পদ্মাদেবী, বিমল চৌধুরী, শক্তিপদ ব্রহ্মচারী, উদয়ন ঘোষ, জিতেন নাগ, উমা ভট্টাচার্য, রুচিরা শ্যাম, শান্তনু ঘোষ, রণজিৎ দাশ ও মনোতোষ চক্রবর্তী। ‘শিলচর (শতাব্দী)’ পর্বে নেওয়া হয়েছে যাঁদের কবিতা তাঁরা হলেন - দীনেশলাল রায়, সুজন মাঝি, প্রমথ নাথ চৌধুরী, অতীন দাস, হীরেন্দ্র ভট্টাচার্য ও দিগ্বিজয় পাল। ‘শিলচর (মহিলা) বিভাগে রয়েছেন অনুরূপা বিশ্বাস, সুমিত্রা দত্ত, ছবি গুপ্তা, মায়া গুপ্তা, দীপালি দত্তচৌধুরী, মহুয়া চৌধুরী, দীপ্তি চক্রবর্তী, দীপালি চৌধুরী, অঞ্জু এন্দো, সুদেষ্ণা ভট্টাচার্য, দীপ্তি দেব, শিবানী ভট্টাচার্য, লাকি চৌধুরী, জয়া দেব, কস্তুরী হোমচৌধুরী, স্মৃতি দত্ত, ঝুমুর পাণ্ডেয়, চন্দ্রিমা দত্ত, স্মৃতি পাল নাথ, কৃষ্ণা চৌধুরী, নিবেদিতা চৌধুরী, শর্মিলা দত্ত, বনশ্রী চৌধুরী, দোলনচাঁপা দাসপাল, জয়শ্রী ভট্টাচার্য, রূপশ্রী চক্রবর্তী, লীনা নাথ, স্বর্ণালি বিশ্বাস, মানসী সিংহ, শেলী দাস চৌধুরী, জ্যোৎস্না হুসেন চৌধুরী, মমতা চক্রবর্তী, পম্পা ভট্টাচার্য, মৃদুলা ভট্টাচার্য, আদিমা মজুমদার, শুক্লা ভট্টাচার্য, স্নিগ্ধা নাথ, স্বাগতা চক্রবর্তী, স্মৃতি দাস, যূথিকা দাস, লুৎফা চৌধুরী, হাসনা আরা শেলী, সাহনা কলী চৌধুরী, কপোতাক্ষী ব্রহ্মচারী চক্রবর্তী, জাহানারা মজুমদার, স্বাতীলেখা রায়, শিপ্রা দাস, শিপ্রা দে ও শ্রাবণী সরকার। ‘শিলচর (পুরুষ)’ বিভাগের কবিরা হলেন - কালীকুসুম চৌধুরী, সঞ্জীবকুমার দাস, তপোধীর ভট্টাচার্য, অমিতাভ দেবচৌধুরী, শংকরজ্যোতি দেব, দীপক চক্রবর্তী, দীপংকর নাথ, শুভঙ্কর চন্দ, দেবাশিস চন্দ, সৌমিত্র বৈশ্য, তুষারকান্তি নাথ, শুভব্রত দত্ত, তাপস চক্রবর্তী (দীর্ঘ কবিতা), মুহাজির হুসেন চৌধুরী (আবু আশরফ), রাজীব ভট্টাচার্য, মৃণাল শর্মা পাঠক, বিজয় কুমার ভট্টাচার্য, সমরবিজয় চক্রবর্তী, মানস ভট্টাচার্য, রামেন্দু ভট্টাচার্য, সুশান্ত ভট্টাচার্য, সুজিৎ দাস, তমোজিৎ সাহা, শতদল আচার্য, সুনীল রায়, অভিজিৎ চক্রবর্তী, রাণা চক্রবর্তী, সুপ্রদীপ দত্তরায়, বিশ্বজিৎ সাহা, রূপরাজ ভট্টাচার্য, গোবিন্দ ধর, সন্তোষ আকুড়া ও সত্যব্রত চৌধুরী।
গ্রন্থকার এই গ্রন্থটি উৎসর্গ করেছেন তঁর মা চন্দ্রাবতী দেবী ও বাবা ঠাকুরপ্রসাদ বার্মাকে।   
ঠিক তার পরেই প্রকাশিত হয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ে পেপারব্যাকে ৯২ পৃষ্ঠার অনুবাদ গ্রন্থ ‘বরাকের হিন্দি কবিতার অনুবাদ’। এই গ্রন্থে যাঁদের কবিতা অনূদিত হয়েছে তাঁদের দুই পর্বে বিন্যস্ত করা হয়েছে। ক-বিভাগে রয়েছেন যমুনাপ্রসাদ কর্মকার, রামসুখ ত্রিপাঠী, কেদারনাথ উপাধ্যায়, শিব সাগর, অমরনাথ শর্মা, কপিল দেও উপাধ্যায়, বলীরাম গোয়ালা, ধূপ নারায়ণ কৈরী, সুনীল শর্মা, হাকিমচাঁদ গুপ্তা, উমাকান্ত তেওয়ারী, যদুনাথ শরণ, দেও চাঁদ বৈদ্য, বংশীধর উপাধ্যায়, বৈকুণ্ঠ যাদব, ব্রহ্মানন্দ কুর্মি, শ্রীভগবান চতুর্বেদী, অওধেশ মিশ্র, প্রেমশঙ্কর চৌবে, অঞ্জনীকুমার দ্বিবেদী, প্রমথনাথ মিশ্র, সুরেশ চন্দ্র দ্বিবেদী, চিত্তরঞ্জন ভারতী, দেও কুমার মিশ্র, নীলোৎপল পুরকায়স্থ, বাবুল নারায়ণ কানু, নিলীপ গৌড়, মদন সিংঘল, দিলীপ কুমার, ঘনশ্যাম পাণ্ডে, রঘু রবিদাস, কুঞ্জবিহারী গোয়ালা, অসিত কুরকু, মধুসূদন স্বর্ণকার, বিষ্ণু শংকর বার্মা, জয়দ্রথ গোয়ালা, রাজু বার্মা, চন্দন শুক্লবৈদ্য, চন্দ্রকুমার গোয়ালা ও সর্বেশ স্বর্ণকার। খ-বিভাগে রয়েছেন জয়ন্তী সহায়, ছন্দা সরকার, অন্নপূর্ণা দেবী, সন্তোষী লোহার দাস, মীরা সিংহ, সংযোগিতা পাশী, কুসুমলতা জৈন, শুভদা পাণ্ডে, সীমা সিংহ রায়, ডা. রীতা সিংহ যাদব, বিন্দু সিংহ, পুষ্পা ভারতী, মধু পারেখ, সরিতা সিংহ, ঋতা চন্দ, কমলা থাপা (সোনার), স্বাতীলেখা রায়, রাজকুমারী মিশ্র, রীতা লোহার, সারদা বার্মা, শ্যামা বার্মা, অপর্ণা তেওয়ারী, সীমা বার্মা, কবিতা শ্রীবাস্তব, প্রতিমা সিংহ, বিচিত্রা চৌহান, ড. চম্পা নুনিয়া, চন্দা বার্মা, মীরা সিং, ডোলি সাহু, সঙ্গীতা বার্মা, সুনীতা (মালা) কুর্মি, সীমা স্বর্ণকার, টিনা বার্মা, বন্দনা বার্মা ও গায়ত্রী সোনার। গ্রন্থশেষে রয়েছে সংক্ষিপ্ত কবি-পরিচিতি। গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে কবি কস্তুরী হোমচৌধুরী, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, আদিমা মজুমদার ও দোলনচাঁপা দাসপালকে।
উভয় গ্রন্থের ভূমিকায় ব্যক্ত হয়েছে সাহিত্য ও বিশেষ করে অনুবাদ সাহিত্যের যাথার্থ্য ও অনুবাদকের গভীর গরজের কথা। প্রচ্ছদ, ছাপা, অক্ষরবিন্যাস সব কিছুই যথাযথ মানের। কবিতার গুণমান নির্ধারণ এক্ষেত্রে নিতান্তই অপ্রাসঙ্গিক যদিও বানান প্রায় একশ শতাংশ নির্ভুল এবং অনুবাদকর্ম যে যথাযথ তা সরল ও সুখপঠনেই নিশ্চিত। বরাকের কাব্যজগতে গ্রন্থদুটি নিঃসন্দেহে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।
বিদ্যুৎ চক্রবর্তী
প্রকাশক - অশোক বার্মা/বালার্ক প্রকাশন শিলচর
মূল্য - প্রতিটি ২৫০/-
যোগাযোগ - ৯৯৫৪৯৬১৭২৩

Comments

Popular posts from this blog

শেকড়ের টানে নান্দনিক স্মরণিকা - ‘পরিযায়ী’

রামকৃষ্ণনগর । প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আবহে বরাক উপত্যকার এক ঐতিহ্যময় শহর । বিশেষ করে শিক্ষাদীক্ষার ক্ষেত্রে চিরদিনই এক অগ্রণী স্থান হিসেবে উচ্চারিত হয়ে আসছে এই নাম । বৃহত্তর রামকৃষ্ণনগরের গোড়াপত্তনের ইতিহাস বহুদিনের । দেশভাগের আগে ও পরে , উত্তাল সময়ে স্থানচ্যূত হয়ে এখানে থিতু হতে চাওয়া মানুষের অসীম ত্যাগ ও কষ্টের ফলস্বরূপ গড়ে ওঠে এক বিশাল বাসযোগ্য অঞ্চল । শুধু রুটি , কাপড় ও ঘরের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রই নয় , এর বাইরে শিক্ষা অর্জনের ও শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে মমনশীলতার পরিচয় দিয়েছিলেন সেইসব মহামানবেরা । ফলস্বরূপ এক শিক্ষিত সমাজব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল যদিও উচ্চশিক্ষার জন্য পরবর্তী প্রজন্মকে বেরোতে হয়েছিল নিজ বাসস্থান ছেড়ে । শিলচর তখন এ অঞ্চলের প্রধান শহর হওয়ায় স্বভাবতই শিক্ষা ও উপার্জনের স্থান হিসেবে পরিগণিত হয় । এবং স্বভাবতই রামকৃষ্ণনগর ছেড়ে এক বৃহৎ অংশের মানুষ এসে পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করেন এই শিলচরে । এই ধারা আজও চলছে সমানে । শিলচরে এসেও শেকড়ের টানে পরস্পরের সাথে যুক্ত থেকে রামকৃষ্ণনগর মূলের লোকজনেরা নিজেদের মধ্যে গড়ে তোলেন এক সৌহার্দমূলক বাতাবরণ । এবং সেই সূত্রেই ২০০০ সালে গঠিত হয় ‘ ...

মহানিষ্ক্ৰমণ

প্রায় চল্লিশ বছর আগে গ্রামের সেই মায়াময় বাড়িটি ছেড়ে আসতে বেজায় কষ্ট পেয়েছিলেন মা ও বাবা। স্পষ্ট মনে আছে অর্ঘ্যর, এক অব্যক্ত অসহায় বেদনার ছাপ ছিল তাঁদের চোখেমুখে। চোখের কোণে টলটল করছিল অশ্রু হয়ে জমে থাকা যাবতীয় সুখ দুঃখের ইতিকথা। জীবনে চলার পথে গড়ে নিতে হয় অনেক কিছু, আবার ছেড়েও যেতে হয় একদিন। এই কঠোর বাস্তব সেদিন প্রথমবারের মতো উপলব্ধি করতে পেরেছিল অর্ঘ্যও। সিক্ত হয়ে উঠছিল তার চোখও। জন্ম থেকে এখানেই যে তার বেড়ে ওঠা। খেলাধুলা, পড়াশোনা সব তো এখানেই। দাদাদের বাইরে চলে যাওয়ার পর বারান্দাসংলগ্ন বাঁশের বেড়াযুক্ত কোঠাটিও একদিন তার একান্ত ব্যক্তিগত কক্ষ হয়ে উঠেছিল। শেষ কৈশোরে এই কোঠাতে বসেই তার শরীরচর্চা আর দেহজুড়ে বেড়ে-ওঠা লক্ষণের অবাক পর্যবেক্ষণ। আবার এখানে বসেই নিমগ্ন পড়াশোনার ফসল ম্যাট্রিকে এক চোখধাঁধানো ফলাফল। এরপর একদিন পড়াশোনার পাট চুকিয়ে উচ্চ পদে চাকরি পেয়ে দাদাদের মতোই বাইরে বেরিয়ে যায় অর্ঘ্য, স্বাভাবিক নিয়মে। ইতিমধ্যে বিয়ে হয়ে যায় দিদিরও। সন্তানরা যখন বড় হয়ে বাইরে চলে যায় ততদিনে বয়সের ভারে ন্যুব্জ বাবা মায়ের পক্ষে আর ভিটেমাটি আঁকড়ে পড়ে থাকা সম্ভব হয়ে ওঠে না। বহু জল্পনা কল্পনার শেষে ত...

নিবেদিত সাহিত্যচর্চার গর্বিত পুনরাবলোকন - ‘নির্বাচিত ঋতুপর্ণ’

সাধারণ অর্থে বা বলা যায় প্রচলিত অর্থে একটি সম্পাদনা গ্রন্থের মানে হচ্ছে মূলত অপ্রকাশিত লেখা একত্রিত করে তার ভুল শুদ্ধ বিচার করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সম্পাদনার পর গ্রন্থিত করা । যেমনটি করা হয় পত্রপত্রিকার ক্ষেত্রে । অপরদিকে সংকলন গ্রন্থের অর্থ হচ্ছে শুধুই ইতিপূর্বে প্রকাশিত লেখাসমূহ এক বা একাধিক পরিসর থেকে এনে হুবহু ( শুধুমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ন্যূনতম সংশোধনসাপেক্ষে ) একত্রীকরণ । সেই হিসেবে আলোচ্য গ্রন্থটি হয়তো সম্পাদনা গ্রন্থ নয় , একটি সংকলন গ্রন্থ । বিস্তারিত জানতে হলে যেতে হবে সম্পাদক ( সংকলক ) সত্যজিৎ নাথের বিস্তৃত ভূমিকায় । পুরো ভূমিকাটিই যদি লেখা যেতো তাহলে যথাযথ হতো যদিও পরিসর সে সায় দেয় না বলেই অংশবিশেষ তুলে ধরা হলো এখানে - ‘ সালটা ১৯৯০ । ‘ দৈনিক সোনার কাছাড় ’- এ একবছর হল আসা - যাওয়া করছি । চাকরির বয়স হয়নি তাই চাকরি নয় , এই ‘ আসা - যাওয়া ’ । …. হঠাৎ করেই একদিন ভূত চাপল মাথায় - পত্রিকা বের করব । ‘… সেই শুরু । অক্টোবর ১৯৯০ সালে শারদ সংখ্যা দিয়ে পথচলা শুরু হল ‘ঋতুপর্ণ’র। পরপর দুমাস বের করার পর সেটা হয়ে গেল ত্রৈমাসিক। পুরো পাঁচশো কপি ছাপাতাম ‘মৈত্রী প্রকাশনী’ থেকে।...