Skip to main content

প্রত্যয় ও গরজের ফসল দুটি সমকালীন ছোটপত্রিকা


দুইজন সম্পাদক গরজে মননে সাহিত্যপথের দুই নিরলস প্রতিবেশী যাত্রী ডিসেম্বর ২০২৫-এ প্রকাশিত হয়েছে আলাল উদ্দিন সম্পাদিতফোয়ারাপত্রিকার পঞ্চম বর্ষ, পঞ্চম সংখ্যা এবং দিব্যেন্দু নাথ সম্পাদিতদোপাতাপত্রিকার অষ্টম বর্ষ, পঞ্চম সংখ্যা স্যাডলে স্টিচে ১/৪ ট্যাবলয়েড রেগুলার সাইজের পত্রিকায় ধরা রয়েছে সমকাল ত্রিপুরা রাজ্যে উত্তর-পূর্বের সবচাইতে বেশি বাংলা সাহিত্যচর্চা ও লেখালেখি যে হয় এতে সন্দেহ থাকার কথা নয় সেই সূত্রে আলোচ্য দুটি পত্রিকার ধারাবাহিক প্রকাশ উভয় ক্ষেত্রেই নান্দনিক প্রচ্ছদ প্রথম দর্শনেই নজর কাড়ে পাঠকের প্রতিটির মূল্য - ৫০ টাকা।
 
ফোয়ারা
৪৮ পৃষ্ঠার পত্রিকার অ্যাবস্ট্রাক্ট প্রচ্ছদের সৌজন্যে রাজীব-শান্তনু গদ্য ও পদ্যের সমানুপাতে প্রকাশিত পত্রিকার পদ্যভাগই অধিকতর মানসম্পন্ন। সূচিপত্রে যেহেতু পৃষ্ঠাসংখ্যা নেই তাই একে একে এগোলে প্রথমেই সম্পাদকীয়তে রয়েছে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে কটাক্ষ এবং সম্প্রীতির উপর আলোকপাত। মূলত এই ধারণার উপরই লেখা রয়েছে অধিকাংশ গদ্য। সম্পাদকীয়ের শিরোনামে যে বানান বিভ্রাট (সম্ভবত ছাপার বিভ্রাট) সেই বিভ্রাট অধিক হয়ে ধরা দিয়েছে একের পর এক গদ্যেপদ্যেএ নিয়ে যথেষ্ট সচেতনতার পরিসর রয়েছে পরবর্তীতে। গদ্য বিভাগে (সূচিপত্রে আলোচনা বলে উল্লিখিত) রয়েছে অমিত চট্টোপাধ্যায়ের নিবন্ধ ‘সামাজিক অবক্ষয়’। বিষয়ের উপর যথাসম্ভব আলোকপাত। নীলিমা দাশগুপ্তের এক পৃষ্ঠার গদ্য ‘নেশা’ প্রাসঙ্গিক। একজন নার্সের চোখে কুসংস্কারের নানাবিধ রূপ ফুটে উঠেছে আদিমা মজুমদারের প্রতিবেদনে। মন্টু দাসের এক পৃষ্ঠার গদ্য সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে। হেমন্ত দেবনাথের নিবন্ধ ‘মণিপুরি নৃত্যের বিকাশে রবীন্দ্রনাথ’ তথ্যে, শৈলীতে এই সংখ্যার অন্যতম সম্পদ। অনিতা ভট্টাচার্য ও অনিন্দিতা দেবনাথের অণুগল্প বিষয়ভিত্তিক। নেশার বিরুদ্ধে সন্ধ্যা দেবনাথের একাঙ্ক নাটক চরিত্রের ভিড়ে ও দৃশ্যান্তরের আধিক্যে জটিল হয়ে উঠেছে। ‘ধর্ম ও সংস্কৃতি’ শিরোনামে দরবেশ কুমারের প্রতিবেদন বাস্তবভিত্তিক একটি লেখা।
যাঁদের নানা স্বাদের কবিতায় সংখ্যাটি পঠনযোগ্য হয়ে উঠেছে তাঁরা হলেন মিলনকান্তি দত্ত, গোপালচন্দ্র দাস, হারাধন বৈরাগী, বিশ্বজিৎ মানিক, শান্তনু মজুমদার, রাখাল মজুমদার, অপাংশু দেবনাথ, আশিষকান্তি সাহা, পরিমল কর্মকার, পদ্মশ্রী মজুমদার, সন্দীপ সাহু, সুজিত দেব, মীনাক্ষী চক্রবর্তী সোম, রতন চন্দ, সুপ্রিয়া দাস, নির্মল দেবনাথ, কৃষ্ণা বসাক, নীলিমা বেগম, মাহফুজ রিপন, শশাঙ্কশেখর পাল, নিবারণ নাথ, গণেশ দে, উপমা বেগম, বাপ্পা সরকার, উত্তম সরকার, সম্রাট শীল, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, আলাল উদ্দিন, কৌশিক বনিক, সোহম পাল, সুনির্মল বিশ্বাস, জয়ন্ত ভট্টাচার্য ও সজল চক্রবর্তী। কবিনামে ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়নি সূচিপত্রে।
কাগজ, অক্ষর বিন্যাস আদি মানসম্পন্ন হলেও উপর্যুক্ত ত্রুটি (বানান ও ছাপা বিভ্রাট) কাটিয়ে ওঠার ও ছোটপত্রিকার দায় নিয়েও লেখা সংগ্রহে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবু বিষয়ে, ধারাবাহিকতায় উজ্জ্বল ‘ফোয়ারা’।
 
দোপাতা
‘দোপাতা’ একটি পাহাড়ি ছড়া... বহতা জীবনের ভাষাপাখির গান... - এই ট্যাগলাইন ধরেই প্রকাশিত হয়েছে ৩৬ পৃষ্ঠার আলোচ্য সংখ্যাটি। সম্পাদকীয় থেকে শুরু করে একটি নিখাদ কবিতাপত্রিকা। অনবদ্য মলাটলিপি ও নামলিপির সৌজন্যে কবি মিলনকান্তি দত্ত। সূচিপত্র এখানেও এলোমেলো, পৃষ্ঠাসংখ্যাবিহীন।
এক লাইন থেকে শুরু করে দুই পৃষ্ঠা জোড়া টক-ঝাল-মিষ্টির একগুচ্ছ কবিতা। ত্রিপুরা ও বহির্ত্রিপুরার কবিদের কবিতায় কবিতায় ভরে আছে পাতার পর পাতা। কিছু কবিতা, কিছু পঙ্‌ক্তি অসাধারণত্বের মাত্রায় পৌঁছে গেছে সাবলীলতায়। প্রথম কবিতা - মিলনকান্তি দত্তের ‘অন্ধ মিশন’ তাঁর আর পাঁচটা কবিতার মতোই অনবদ্য। পুরো কবিতাই ধরে রাখার মতো যদিও পরিসরের অভাব এক্ষেত্রে মুখ্য প্রতিবন্ধকতা। শেষের তিনটি লাইন তবু তুলে দেওয়া যেতেই পারে -
...সমস্ত চোখের পত্তন তুলে আনতে চেয়ে
দেখতে দেখতে ভেসে গেল জন্মকানা বাপ
আর ধর্মকানা মায়ের মিশন।
শব্দের অসাধারণ প্রয়োগে এভাবে উৎকৃষ্টতার শিখরে রয়েছে আরও অনেক কবিতার পঙ্‌ক্তিমালা। সুশান্ত নন্দীর এক লাইনের কবিতা - ‘...রোদ্দুর ফিরে গেলে তুমি অন্ধকারের গল্প শুনিও।’ অন্যতম। ‘...আমি কখনো সমুদ্র হতে চাইব না/ শুধু আমায় বৃষ্টি হতে বারণ করো না’ - (শ্রীমান দাস)‘...অন্ধত্বের বন্যায় ডুবছে সভ্যতা/ কাঁদে ঢোল, কাঁদছে একতারা/ পড়শি ভালো নেই, ভালো নেই আমরা’ - (রতন চন্দ)। ‘...প্রতিশ্রুতি লঙ্কায় গেলে/ জন্মদাগ মুছে দিতে, ভগবান.../ রাবণের পোশাক বদলায়’ - (নির্মল দত্ত)। ‘...পরে অভিযোগ করে বলব,/ তোমার চোখে উপন্যাস দেখে ভোর এঁকেছি’ - (সংহিতা চৌধুরী)। ‘...অথচ জানালা জানে/ সে চাঁদের কেউ নয়’ - (দেবারতি দে)। ‘...ঝলসানো শরীর শব্দে ফুঁ দেয়/ মাইলস্টোনের গা ঘেঁষে দাঁড়ায় আগুনপাখি’ - (নিভা চৌধুরী)। ‘...কবিও নদীর মতো বাঁক নিয়ে/ হয়ে ওঠেন স্রোতস্বিনী/ প্রতিটি বাঁকই সম্ভাবনা-মাটি’ - (গোবিন্দ ধর)। ‘...বাঁধন খুলে দিলে বিহঙ্গও/ মুক্তির স্বাদ দ্বিধায় আঁকে’ - (পহেলি মুখার্জী)। ‘...স্টপেজ আসুক/ ফুল অপেক্ষা করুক/ নতুন খয়েরিপত্র বেরোলেই/ শরীরের সুগন্ধ ঝরে যায়’ - (ভুলুকুমার দেববর্মা)। ‘...শীত তোমার বস্ত্র কোথায় ?/ চলো এক কাপড়ে নদীতে ডুবি’ - (গৌরব নাথ)‘...কবিতাকে নিয়ে ঘুড়ি উড়াই/ দেখি অন্ধকারে তারারা চুমু খায়’ - (নিবারণ নাথ)। ‘...পাখিরা চলে যায়/ গাছেরা শুকিয়ে যায়/ চায়ের কাপ থেকে উড়ে যায় স্মৃতি’ - (রূপালী দেবনাথ)। ‘...বাবার একটুকরো মাটির কাছে/ হার মানে রাজার বিশাল রাজ্য’ - (বাপ্পা সরকার)। ‘...সব দুর্ভাবনা ভুলে প্রান্তরের নিকট দাঁড়িও/ বেদনার মায়াকাঠ হবে’ - (অপাংশু দেবনাথ)। ‘...অন্ধ তারাই/ যারা আলোয় থেকেও/ দেখতে শেখোনি...’ - (শঙ্কর সাহা)।   
তরবেতর স্নিগ্ধতার মোড়কে লেখা এর বাইরেও যাঁদের কবিতা রয়েছে তাঁরা হলেন - নীলিমা দেবনাথ, বিপ্লব উরাং, সুমিতা বর্ধন, রাজেশচন্দ্র দেবনাথ, সুবল চক্রবর্তী, সঞ্জীব দে, সন্তোষ রায়, জহরলাল দাস, শশাঙ্কশেখর পাল, সুস্মিতা দেবনাথ, অভিজিৎ দাস, মনোরঞ্জন দেববর্মা, বাপ্পা চক্রবর্তী, পরিমল কর্মকার, বিজন বোস, সুমন দেব, সম্রাট শীল, সপ্তশ্রী কর্মকার, আশিষকান্তি সাহা, শান্তনু মজুমদার, জাকির আহমদ, বিমলেন্দু চক্রবর্তী, সুজিত দেব, সুচিত্রা দাস, জয়ত্রী চক্রবর্তী, অমলকান্তি চন্দ, সুপ্রিয়া দাস, রসরাজ নাথ, মন্টু দাস, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, গোপা রায়, অরুণ চাকমা, প্রতীকচন্দ্র নাথ, দিব্যেন্দু নাথ, মধুমিতা ভট্টাচার্য, বিশ্বজিৎ দেব, হারাধন বৈরাগী, বকুল দেব, আশিস ভট্টাচার্য, চিরশ্রী দেবনাথ, কানন দাশগুপ্তা সোম, শহর পথ ও গোপেশ চক্রবর্তী।
লিটল ম্যাগাজিনের দায়বদ্ধতা সামলে আদ্যোপান্ত একগুচ্ছ কবিতার সম্ভার - কগজ, ছাপা, বানান, অক্ষর ও পঙ্‌ক্তিবিন্যাস - সবকিছু মিলে গভীর প্রত্যয় ও গরজের এক নান্দনিক ফসল - ‘দোপাতা’। ভেতরের পাতার প্রাসঙ্গিক অলংকরণ নান্দনিক।
বিদ্যুৎ চক্রবর্তী

Comments

Popular posts from this blog

শেকড়ের টানে নান্দনিক স্মরণিকা - ‘পরিযায়ী’

রামকৃষ্ণনগর । প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আবহে বরাক উপত্যকার এক ঐতিহ্যময় শহর । বিশেষ করে শিক্ষাদীক্ষার ক্ষেত্রে চিরদিনই এক অগ্রণী স্থান হিসেবে উচ্চারিত হয়ে আসছে এই নাম । বৃহত্তর রামকৃষ্ণনগরের গোড়াপত্তনের ইতিহাস বহুদিনের । দেশভাগের আগে ও পরে , উত্তাল সময়ে স্থানচ্যূত হয়ে এখানে থিতু হতে চাওয়া মানুষের অসীম ত্যাগ ও কষ্টের ফলস্বরূপ গড়ে ওঠে এক বিশাল বাসযোগ্য অঞ্চল । শুধু রুটি , কাপড় ও ঘরের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রই নয় , এর বাইরে শিক্ষা অর্জনের ও শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে মমনশীলতার পরিচয় দিয়েছিলেন সেইসব মহামানবেরা । ফলস্বরূপ এক শিক্ষিত সমাজব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল যদিও উচ্চশিক্ষার জন্য পরবর্তী প্রজন্মকে বেরোতে হয়েছিল নিজ বাসস্থান ছেড়ে । শিলচর তখন এ অঞ্চলের প্রধান শহর হওয়ায় স্বভাবতই শিক্ষা ও উপার্জনের স্থান হিসেবে পরিগণিত হয় । এবং স্বভাবতই রামকৃষ্ণনগর ছেড়ে এক বৃহৎ অংশের মানুষ এসে পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করেন এই শিলচরে । এই ধারা আজও চলছে সমানে । শিলচরে এসেও শেকড়ের টানে পরস্পরের সাথে যুক্ত থেকে রামকৃষ্ণনগর মূলের লোকজনেরা নিজেদের মধ্যে গড়ে তোলেন এক সৌহার্দমূলক বাতাবরণ । এবং সেই সূত্রেই ২০০০ সালে গঠিত হয় ‘ ...

বিষয়-মানসে প্রকাশিত ‘স্বরিত’ - সপ্তদশ সংখ্যা

কোনও দ্বিধা কিংবা ভয়কে অবলীলায় উড়িয়ে দিয়ে জলকে জল , মাটিকে মাটি কিংবা দেশকে দেশ ( দ্বেষ , দ্যাশ কিংবা রাষ্ট্রযন্ত্র নয় ) বলতে পারেন যে ক ’ জন , তাঁদের মধ্যে অন্যতম কবি , লেখক , সম্পাদক নারায়ণ মোদক । বরাক উপত্যকার শ্রীভূমি থেকে ২১ মার্চ বিশ্ব কবিতা দিবসে প্রকাশিত হয়েছে বার্ষিক পত্রিকা ‘ স্বরিত ’- এর সপ্তদশ সংখ্যা । দ্বৈত সম্পাদনায় নারায়ণ মোদক ও গৌতম চৌধুরী। এবারের বিষয় ছিল প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অব্যবস্থা , অত্যাচার , সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নিপীড়ন ইত্যাদি নিয়ে প্রতিবেদন ও সহমর্মিতা ইত্যাদি । স্বভাবতই এর প্রতিবাদ হওয়া উচিত । এই নির্ভীক , বলিষ্ঠ পদক্ষেপের উদ্যোগ কতটা সফল হয়েছে , কতটা সহমর্মিতা বর্ষিত হল , কতটা প্রতিবাদ স্বরিত হল তার এক নির্মোহ বিশ্লেষণ সংখ্যাটির আলোচনার এক অমোঘ অনুষঙ্গ ।   ভূমিকার আধারে ‘এ সংখ্যার বিষয়ে আলোকপাত’ করতে গিয়ে অন্যতম সম্পাদক নারায়ণ মোদক লিখছেন - ‘… আমাদের সমাজে একদল নিজেকে মানবতাবাদী সাজিয়ে নিরাপদ দূরত্বে বসে সমাজ এবং সরকারের সব রকম সুবিধা ভোগ করে বিজ্ঞতার সাথে বলতে থাকেন সারা বিশ্বের যেখানেই সংখ্যালঘু আছে সেখানেই তারা অত্যাচারিত। আমাদ...

নিবেদিত সাহিত্যচর্চার গর্বিত পুনরাবলোকন - ‘নির্বাচিত ঋতুপর্ণ’

সাধারণ অর্থে বা বলা যায় প্রচলিত অর্থে একটি সম্পাদনা গ্রন্থের মানে হচ্ছে মূলত অপ্রকাশিত লেখা একত্রিত করে তার ভুল শুদ্ধ বিচার করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সম্পাদনার পর গ্রন্থিত করা । যেমনটি করা হয় পত্রপত্রিকার ক্ষেত্রে । অপরদিকে সংকলন গ্রন্থের অর্থ হচ্ছে শুধুই ইতিপূর্বে প্রকাশিত লেখাসমূহ এক বা একাধিক পরিসর থেকে এনে হুবহু ( শুধুমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ন্যূনতম সংশোধনসাপেক্ষে ) একত্রীকরণ । সেই হিসেবে আলোচ্য গ্রন্থটি হয়তো সম্পাদনা গ্রন্থ নয় , একটি সংকলন গ্রন্থ । বিস্তারিত জানতে হলে যেতে হবে সম্পাদক ( সংকলক ) সত্যজিৎ নাথের বিস্তৃত ভূমিকায় । পুরো ভূমিকাটিই যদি লেখা যেতো তাহলে যথাযথ হতো যদিও পরিসর সে সায় দেয় না বলেই অংশবিশেষ তুলে ধরা হলো এখানে - ‘ সালটা ১৯৯০ । ‘ দৈনিক সোনার কাছাড় ’- এ একবছর হল আসা - যাওয়া করছি । চাকরির বয়স হয়নি তাই চাকরি নয় , এই ‘ আসা - যাওয়া ’ । …. হঠাৎ করেই একদিন ভূত চাপল মাথায় - পত্রিকা বের করব । ‘… সেই শুরু । অক্টোবর ১৯৯০ সালে শারদ সংখ্যা দিয়ে পথচলা শুরু হল ‘ঋতুপর্ণ’র। পরপর দুমাস বের করার পর সেটা হয়ে গেল ত্রৈমাসিক। পুরো পাঁচশো কপি ছাপাতাম ‘মৈত্রী প্রকাশনী’ থেকে।...